1. ph.jayed@gmail.com : akothadesk42 :
  2. admin@amaderkatha24.com : kamader42 :
শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নিকন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশি নির্মাতা সৈয়দ সাহিলের শর্ট ফিল্ম ‘আনসিন’ ফ্রান্সে বিএনপির সুনামগঞ্জ-৫ আসনের প্রার্থী কলিম উদ্দিেনর মতবিনিময় সভা জিয়াউর রহমান ও বেগম জিয়ার কবর জিয়ারত ফ্রান্স, পর্তুগাল ও ইউরোপ বিএনপির নেতৃবৃন্দের সরকারি চাকরীজীবীরা কোনো পক্ষ নিতে পারবেন না নতুন ঠিকানায় লাকর্নভে বাংলা অটো ইকোল-এর উদ্বোধন মেক্সিকোতে ৬.৫ মাত্রার ভূমিকম্প, ব্রিফিং ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন প্রেসিডেন্ট কখনো আপস করেননি খালেদা জিয়া খালেদা জিয়া: বাংলাদেশের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিশ্বনেতাদের শোক একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই : তারেক রহমান

মুক্তি পেতে পারে ৩০০০ হাজতি

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২০

নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে বিভিন্ন মামলায় বিচারাধীন প্রায় তিন হাজার হাজতির তালিকা তৈরি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে মুক্তির প্রস্তাব পাঠিয়েছে কারা-কর্তৃপক্ষ।

বুধবার কারা-অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মো. আবরার হোসেন বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে এ প্রস্তাব দিয়েছি, এটা মন্ত্রণালয়েরই আদেশে। জামিনযোগ্য ছোট-খাটো অপরাধে যারা কারাগারে রয়েছেন, এরকম তিন হাজারের সামান্য বেশি হাজতির নাম প্রস্তাব আকারে মন্ত্রণালয়ে দিয়েছি।

তিনি আরো বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলে ওই প্রস্তাব যাবে আইন মন্ত্রণালয়ে। সেখানে আপত্তি না থাকলে পাঠানো হবে আদালতে। শেষ পর্যন্ত বিচারকই সিদ্ধান্ত নেবেন জামিন দেওয়া যায় কি না। কিন্তু মুক্তির বিষয়টা বিচারকদের হাতে, আমাদের হাতে নয়।

তিনি জানান, রুটিন প্রক্রিয়া হিসেবে বছরের বিভিন্ন সময়ে তারা কিছু বন্দির মুক্তির সুপারিশ করতেন। যাদের অল্প সাজা বাকি আছে, যারা অচল, অক্ষম বা বৃদ্ধ- এরকম বন্দিদের তালিকা করে নিয়মিতভাবে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। মন্ত্রণালয় মিটিং করে, বোর্ড করে তাদের মধ্যে থেকে মুক্তির ব্যবস্থা করে। এরকম বন্দিদের সাধারণত ঈদ, নববর্ষ, বা জাতীয় দিবস সামনে রেখে মুক্তি দেওয়া হয়। সেরকম বন্দিদের একটি প্রস্তাবও আলাদাভাবে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে ।

দেশের ৬৮টি কারাগারের ৯০ হাজারের মত বন্দি রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, করোনাভাইরাসে কোনো বন্দি আক্রান্ত হননি। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ৪০ জন বন্দিকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলা সুপার ইকবাল কবির চৌধুরী বলেন, এখন আসামি আসার সংখ্যাও কমে গেছে। আগে দিনে দুই শাতধিক বন্দি আনা হত এখানে। এখন ৬০ জনের বেশি আসছে না।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ অপু জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্যোগে কারা কর্তৃপক্ষকে ওই তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Macrosys