শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্রান্সে ‘শাহ্ গ্রুপ ও অফিওরা’-এর যৌথ আয়োজনে ২ আগস্ট মঞ্চ মাতাবেন ‘জেমস’ নীরব মহামারী হেপাটাইটিস কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে SAF-এর সম্পূর্ণ বিনামূল্যের সুশি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের শুভ সূচনা ফ্রান্সসহ ইউরোপীয় দেশসমূহে দাবদাহ: কারণ, প্রভাব ও করণীয় ফ্রান্সে সংবর্ধিত হলেন যুক্তরাজ্য বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য তপন সাংবাদিকতায় কৃতিত্বের পুরস্কার পেলেন জুনেদ ফারহান এমপি মমতাজ আলোকে অভিনন্দন জানালো ‘মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রবাসী এসোসিয়েশন’ বেদে সম্প্রদায় নিয়ে প্যারিসে তথ্য-চলচ্চিত্র “ভাসমান জীবন” প্রদর্শনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন ‘স্মৃতিতে স্মরণে প্রিয় জন্মভূমি’ শিরোনামে প্যারিসে আন্তর্জাতিক কবিতা সন্ধ্যা রাজপথের সাহসী মুখ মমতাজ আলো

নীরব মহামারী হেপাটাইটিস

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬

কর্নেল ডা. নাজমুল হুদা খান

প্রতি বছর ২৮ জুলাই বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস। এ দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো ভাইরাল হেপাটাইটিস সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ নির্ণয়, কার্যকর চিকিৎসা এবং প্রতিরোধ নিশ্চিত করা। হেপাটাইটিস এমন একটি রোগ, যা দীর্ঘদিন কোনো লক্ষণ ছাড়াই মানুষের শরীরে থেকে ধীরে ধীরে লিভারকে ধ্বংস করতে পারে। এ কারণেই একে বলা হয় “নীরব মহামারী” বা “Silent Epidemic”। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রায় ২০ কোটি মানুষ এ রোগে আক্রান্ত এবং প্রতিবছর প্রায় ১৩ লক্ষ মানুষ হেপাটাইটিসজনিত জটিলতায় মারা যায়। বাংলাদেশেও এ রোগের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। দেশে আনুমানিক এক কোটি মানুষ হেপাটাইটিস বি বা সি ভাইরাসে আক্রান্ত। অথচ প্রতি দশ জনের একজনই জানেন না যে তারা এই ভাইরাস বহন করছেন। ফলে অজান্তেই তারা অন্যদের সংক্রমিত করছেন এবং নিজেরাও ধীরে ধীরে লিভার সিরোসিস বা লিভার ক্যান্সারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।

লিভার ও হেপাটাইটিস কী?

যকৃত বা Liver দেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিপাকীয় কেন্দ্র। এটি শরীরের বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ, পিত্ত বা Bile তৈরি করে চর্বি হজমে সহায়তা, আমাদের গ্রহণকৃত খাদ্যের শর্করা, চর্বি ও প্রোটিনের বিপাক সম্পন্ন করা, গ্লাইকোজেন, ভিটামিন A, D, E, K, B₁₂ এবং আয়রন জমা রাখা; ওষুধ, অ্যালকোহল ও বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থকে ভেঙে শরীরের জন্য নিরাপদ করা, রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তাকারী বিভিন্ন প্রোটিন তৈরি করা এবং শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
দেহের এ ২য় বৃহত্তম অঙ্গ লিভারের প্রদাহ বা সংক্রমণ হেপাটাইটিস নামে অভিহিত। ভাইরাসজনিত হেপাটাইটিসের প্রধান পাঁচটি ধরন হলো—হেপাটাইটিস A, B, C, D এবং E।
হেপাটাইটিস A (HAV): এটি সাধারণত দূষিত খাদ্য ও পানির মাধ্যমে ছড়ায়। এর উপসর্গ তীব্র তবে স্বল্পমেয়াদী, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই লিভারের স্থায়ী ক্ষতি করে না এবং সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য।
হেপাটাইটিস B (HBV): এটি রক্ত, বীর্য বা অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমে ছড়ায়। এটি দীর্ঘমেয়াদী হতে পারে এবং লিভার সিরোসিস বা ক্যান্সারের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত। মা থেকে সন্তানের মধ্যেও এটি ছড়াতে পারে।
হেপাটাইটিস C (HCV): এটিও প্রধানত রক্তবাহিত। দূষিত রক্ত, ইনজেকশনের সুঁইয়ের পুনঃব্যবহার এবং ঝুঁকিপূর্ণ যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে এটি ছড়াতে পারে। হেপাটাইটিস C দীর্ঘমেয়াদী হয় এবং লিভার ক্যানসারের একটি বড় কারণ। এর কোনো টিকা নেই, তবে নতুন অ্যান্টিভাইরাল ওষুধে এটি অনেক ক্ষেত্রে নিরাময়যোগ্য।
হেপাটাইটিস D (HDV): এটি কেবল হেপাটাইটিস B ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরেই দেখা যায়। এটি হেপাটাইটিস B-এর জটিলতাকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
হেপাটাইটিস E (HEV): এটি হেপাটাইটিস A-এর মতোই দূষিত খাদ্য ও পানির মাধ্যমে ছড়ায়। সাধারণত এটি তীব্র ও স্বল্পমেয়াদী হয়, তবে গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে এটি মারাত্মক হতে পারে।

হেপাটাইটিসের লক্ষণ ও উপসর্গ

হেপাটাইটিসের প্রাথমিক লক্ষণগুলো অস্পষ্ট হওয়ায় রোগ শনাক্ত করা কঠিন হয়। তবে কিছু সাধারণ লক্ষণ নীচে দেওয়া হলো:
প্রাথমিক লক্ষণ: জ্বর, ক্লান্তি, বমি বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা বা অস্বস্তি, ক্ষুধামন্দা, হালকা জ্বর।
গুরুতর লক্ষণ: যখন রোগ আরও বাড়ে, তখন চোখ ও ত্বকের হলুদ ভাব (জন্ডিস), গাঢ় প্রস্রাব এবং ফ্যাকাশে মল দেখা দিতে পারে।
জটিলতার লক্ষণ: লিভার সিরোসিস বা ক্যানসারের ক্ষেত্রে ওজন কমে যাওয়া, পেটে পানি জমা (অ্যাসাইটিস), পা ফোলা, রক্তক্ষরণ এবং মানসিক অবস্থার পরিবর্তন (হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি) ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

রোগ নির্ণয়

কিছু সাধারণ পরীক্ষার মাধ্যমে হেপাটাইটিস নির্ণয় করা যায়:
রক্ত পরীক্ষা: হেপাটাইটিস B-এর জন্য HBsAg এবং হেপাটাইটিস C-এর জন্য Anti-HCV পরীক্ষার মাধ্যমে তা নির্ণয় করা হয়ে থাকে। এই পরীক্ষাগুলো ভাইরাসের উপস্থিতি নির্ণয় করে।
লিভার ফাংশন টেস্ট (LFT): এই পরীক্ষা লিভারের এনজাইম (ALT, AST) এবং বিলিরুবিনের মাত্রা পরিমাপ করে লিভারের ক্ষতির পরিমাণ বা কার্যকারিতা মূল্যায়ন করে।
আল্ট্রাসোনোগ্রাফি: লিভারের আকার, গঠন এবং কোনো অস্বাভাবিকতা যেমন—সিরোসিস বা ক্যানসারের লক্ষণ দেখতে সহায়তা করে।
লিভার বায়োপসি: কিছু ক্ষেত্রে লিভারের টিস্যু নিয়ে পরীক্ষা করা হয় লিভারের ক্ষতির মাত্রা সঠিকভাবে নির্ণয় করার জন্য।

 

কারা বেশি ঝুঁকিতে?

• রক্ত গ্রহণকারী রোগী
• ডায়ালাইসিস রোগী
• স্বাস্থ্যকর্মী
• যারা ইনজেকশন বা সূঁচ ভাগাভাগি করেন
• ঝুঁকিপূর্ণ যৌন সম্পর্ক
• হেপাটাইটিসে আক্রান্ত মায়ের নবজাতক
• পরিবারের আক্রান্ত সদস্যের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তি

প্রতিকার

হেপাটাইটিসের প্রতিকার বা চিকিৎসা রোগের প্রকার ও তীব্রতার ওপর নির্ভর করে: হেপাটাইটিস A ও E: সাধারণত নির্দিষ্ট চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না, বিশ্রাম ও সহায়ক চিকিৎসাতেই রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন।

হেপাটাইটিস B: এটি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য না হলেও, অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ভাইরাসের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে লিভারের ক্ষতি কমাতে পারে। আক্রান্তদের নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শে থাকতে হয়।
হেপাটাইটিস C: নতুন প্রজন্মের অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ দিয়ে সিংহভাগ ক্ষেত্রে এটি নিরাময়যোগ্য। এই ওষুধগুলো সাধারণত কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই রোগীকে সুস্থ করে তোলে।
হেপাটাইটিসের প্রধান জটিলতা
হেপাটাইটিসের জটিলতা ভাইরাসের ধরন, সংক্রমণের স্থায়িত্ব এবং রোগীর চিকিৎসা গ্রহণের ওপর নির্ভর করে। বিশেষ করে হেপাটাইটিস বি (HBV) ও হেপাটাইটিস সি (HCV) দীর্ঘমেয়াদে গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।
• ক্রনিক হেপাটাইটিস (Chronic Hepatitis): ছয় মাসের বেশি সময় ভাইরাস শরীরে থেকে গেলে দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিসে রূপ নিতে পারে, তাতে ধীরে ধীরে লিভারের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে।
• লিভার ফাইব্রোসিস (Liver Fibrosis): দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের ফলে লিভারে আঁশযুক্ত (Scar) টিস্যু তৈরি হয় এবং লিভারের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা কমে যায়।
• লিভার সিরোসিস (Liver Cirrhosis): লিভারের স্থায়ী ক্ষতি ও সংকোচন ঘটে। এর ফলে পোর্টাল হাইপারটেনশন, পেটে পানি (Ascites), পা ফুলে যাওয়া, খাদ্যনালীর ভেরিসিস থেকে রক্তক্ষরণ এবং এনসেফালোপ্যাথি হতে পারে।
• লিভার ক্যান্সার (Hepatocellular Carcinoma): দীর্ঘদিনের হেপাটাইটিস বি ও সি লিভার ক্যান্সারের অন্যতম প্রধান কারণ। হেপাটাইটিস বি রোগীদের ক্ষেত্রে কখনো কখনো সিরোসিস ছাড়াও ক্যান্সার হতে পারে।
• লিভার ফেইলিউর (Liver Failure): তীব্র (Acute) বা দীর্ঘমেয়াদি (Chronic) লিভার বিকল হতে পারে। এতে জন্ডিস, রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা, বিভ্রান্তি, কোমা এবং মৃত্যুও হতে পারে।
• পোর্টাল হাইপারটেনশন: লিভারের ভেতর রক্তচাপ বেড়ে যায়।
• খাদ্যনালীর ভেরিসিস (Esophageal varices) তৈরি হয়ে প্রাণঘাতী রক্তক্ষরণ হতে পারে।
• হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি: লিভার বিষাক্ত পদার্থ অপসারণে ব্যর্থ হলে মস্তিষ্ক আক্রান্ত হয়। এতে রোগীর স্মৃতিভ্রংশ, আচরণগত পরিবর্তন, ঘুমের সমস্যা, অচেতনতা ও কোমা হতে পারে।
• রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বৃদ্ধি
• লিভারে ক্লটিং ফ্যাক্টর তৈরি কমে যাওয়ায় সহজে রক্তপাত হতে পারে।
• কিডনি ও অন্যান্য অঙ্গের জটিলতা
• বিশেষ করে গুরুতর লিভার রোগে হেপাটোরেনাল সিনড্রোমসহ কিডনির কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।
• কিছু রোগীর ক্ষেত্রে কিডনি, ত্বক, জয়েন্ট ও রক্তনালিতেও (যেমন ক্রায়োগ্লোবিউলিনেমিয়া, ভাসকুলাইটিস) সমস্যা
• হেপাটাইটিস E গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে তীব্র লিভার বিকল হওয়া ও মাতৃমৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ায়।
প্রতিরোধই সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র
হেপাটাইটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব, যদি ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ সমন্বিতভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করে।
• টিকাদান: হেপাটাইটিস বি-এর নিরাপদ ও কার্যকর টিকা রয়েছে। জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নবজাতককে প্রথম ডোজ এবং পরবর্তী নির্ধারিত ডোজগুলো সম্পন্ন করলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যায়।
• নিরাপদ রক্ত সঞ্চালন: শতভাগ স্ক্রিনিং করা রক্ত ছাড়া রক্ত গ্রহণ করা উচিত নয়।
• নিরাপদ ইনজেকশন ও জীবাণুমুক্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম ব্যবহার।
• নিরাপদ পানি, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ও হাত ধোয়ার অভ্যাস। এটি বিশেষ করে হেপাটাইটিস A ও E প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর।
• নিরাপদ যৌন আচরণ এবং ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী (রেজর, টুথব্রাশ, নখ কাটার যন্ত্র) ভাগাভাগি না করা।
• দ্রুত পরীক্ষা ও চিকিৎসার গুরুত্ব- বর্তমানে হেপাটাইটিস বি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ওষুধ এবং হেপাটাইটিস সি-এর ক্ষেত্রে অধিকাংশ রোগীকে সম্পূর্ণ সুস্থ করার মতো চিকিৎসা রয়েছে। কিন্তু চিকিৎসা শুরু করার পূর্বশর্ত হলো—রোগটি শনাক্ত করা। তাই ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের অবশ্যই হেপাটাইটিস বি ও সি পরীক্ষা করা উচিত।
করণীয়

বাংলাদেশ ইতোমধ্যে শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে হেপাটাইটিস বি টিকা অন্তর্ভুক্ত করেছে, যা একটি বড় সাফল্য। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে হেপাটাইটিস নির্মূলের বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনে আরও কিছু পদক্ষেপ জরুরি—

• জাতীয় পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি।
• সকল গর্ভবতী মায়ের হেপাটাইটিস বি পরীক্ষা নিশ্চিত করা।
• জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি টিকা নিশ্চিত করা।
• নিরাপদ রক্ত ও ইনজেকশন ব্যবস্থার কঠোর বাস্তবায়ন।
• উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সহজলভ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা সম্প্রসারণ।
• উচ্চঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর স্ক্রিনিং কর্মসূচি চালু করা।

হেপাটাইটিস কোনো দুরারোগ্য ব্যাধি নয়; এটি প্রতিরোধযোগ্য, শনাক্তযোগ্য এবং অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসাযোগ্য। কিন্তু নীরব থাকার কারণে এটি এখনও লাখো মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। তাই এখনই সময়—সচেতন হওয়া, পরীক্ষা করা, টিকা নেওয়া এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা শুরু করা। মনে রাখতে হবে—হেপাটাইটিস অপেক্ষা করে না। আমরাও অপেক্ষা করতে পারি না। নীরব মহামারী হেপাটাইটিস রোধে প্রতিরোধই আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র।

কর্নেল ডা. নাজমুল হুদা খান, এমবিবিএস, এমপিএইচ, এমফিল, ডিএমও, ডিএই (অব.)
জনস্বাস্থ্য, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা ও হাইপারবেরিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
পরিচালক, মেডিক্যাল সার্ভিসেস, বিআরবি হাসপাতাল

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Macrosys