1. ph.jayed@gmail.com : akothadesk42 :
  2. admin@amaderkatha24.com : kamader42 :
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৫:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্রান্সে সংবর্ধিত হলেন যুক্তরাজ্য বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য তপন সাংবাদিকতায় কৃতিত্বের পুরস্কার পেলেন জুনেদ ফারহান এমপি মমতাজ আলোকে অভিনন্দন জানালো ‘মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রবাসী এসোসিয়েশন’ বেদে সম্প্রদায় নিয়ে প্যারিসে তথ্য-চলচ্চিত্র “ভাসমান জীবন” প্রদর্শনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন ‘স্মৃতিতে স্মরণে প্রিয় জন্মভূমি’ শিরোনামে প্যারিসে আন্তর্জাতিক কবিতা সন্ধ্যা রাজপথের সাহসী মুখ মমতাজ আলো সংগ্রামী থেকে সফল ব্যবসায়ী মিয়া মাসুদের গল্প ফাতেমা খাতুনের অর্থায়নে ‘আমাদের কথা’র উদ্যোগে ঈদ উপহার বণ্টন ফ্রান্সে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাহিদুলের প্যানেল জয়ী মিয়া মাসুদ: একজন সফল ব্যবসায়ীর পথচলার গল্প

আত্মহত্যার যা লিখলেন পুলিশ

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২০

নিউজ ডেস্ক: আত্মহত্যার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন পুলিশের নায়েক শাহ মো. আবদুল কুদ্দুস।

নিজের মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী না করলেও স্ত্রী ও শাশুড়িকে উদ্দেশ্য করে ভিন্নকথা লিখেছেন ওই স্ট্যাটাসে।

বৃহস্পতিবার ভোরে রাজধানীর মিরপুর পুলিশলাইনে আবদুল কুদ্দুস নিজের রাইফেল দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

আত্মঘাতী শাহ মো. আবদুল কুদ্দুস মিরপুর-১৪ নম্বর পুলিশলাইনে নায়েক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

তার গ্রামের বাড়ি সিলেটের হবিগঞ্জের রসুলপুরে। বাবার নাম শাহ মো. আবদুল ওয়াহাব (মৃত)।

পুলিশ জানায়, আবদুল কুদ্দুস আজ ভোরে ডিউটিতে যাওয়ার সময় তার নিজের অস্ত্র দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ভোর সোয়া ৫টার দিকে তিনি অস্ত্রাগার থেকে অস্ত্র নিয়ে ডিউটির জন্য বের হন। পরে পুলিশলাইনের মাঠের এক পাশে দাঁড়িয়ে আত্মহত্যা করেন।

মৃত্যুর আগে ওই পুলিশ সদস্য ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। ওই স্ট্যাটাসে নিজের মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী না করলেও স্ত্রী ও শাশুড়ির নামে ভিন্নকথা লিখেছেন। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

জানা গেছে, পারিবারিক কলহের কারণে মানসিকভাবে অশান্তিতে ছিলেন কুদ্দুস। মৃত্যুর আগে তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন– ‘আমার মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী করব না। আমার ভেতরের যন্ত্রণাগুলো বড় হয়ে গেছে, আমি আর সহ্য করতে পারছি না। প্রাণটা পালাই পালাই করছে…।

তবে অবিবাহিতদের প্রতি আমার আকুল আবেদন– আপনারা পাত্রী পছন্দ করার আগে পাত্রীর মা ভালো কিনা তা আগে খবর নেবেন। কারণ পাত্রীর মা ভালো না হলে পাত্রী কখনই ভালো হবে না। ফলে আপনার সংসারটা হবে দোজখের মতো।

সুতরাং সকল সম্মানিত অভিভাবকদের প্রতি আমার শেষ অনুরোধ, বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেবেন। আল্লাহ হাফেজ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, উত্তর বিভাগ (এসটিএফ), মিরপুর-১৪, ঢাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Macrosys