1. ph.jayed@gmail.com : akothadesk42 :
  2. admin@amaderkatha24.com : kamader42 :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০১:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্রান্সে সংবর্ধিত হলেন যুক্তরাজ্য বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য তপন সাংবাদিকতায় কৃতিত্বের পুরস্কার পেলেন জুনেদ ফারহান এমপি মমতাজ আলোকে অভিনন্দন জানালো ‘মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রবাসী এসোসিয়েশন’ বেদে সম্প্রদায় নিয়ে প্যারিসে তথ্য-চলচ্চিত্র “ভাসমান জীবন” প্রদর্শনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন ‘স্মৃতিতে স্মরণে প্রিয় জন্মভূমি’ শিরোনামে প্যারিসে আন্তর্জাতিক কবিতা সন্ধ্যা রাজপথের সাহসী মুখ মমতাজ আলো সংগ্রামী থেকে সফল ব্যবসায়ী মিয়া মাসুদের গল্প ফাতেমা খাতুনের অর্থায়নে ‘আমাদের কথা’র উদ্যোগে ঈদ উপহার বণ্টন ফ্রান্সে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাহিদুলের প্যানেল জয়ী মিয়া মাসুদ: একজন সফল ব্যবসায়ীর পথচলার গল্প

২০২৪ সালে রেকর্ডসংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু দেখেছে বিশ্ব

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : শনিবার, ২২ মার্চ, ২০২৫

নিউজ ডেস্ক: অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য ২০২৪ সালটি ছিল ভয়াবহ। জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক অঙ্গসংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) শুক্রবার এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে এ তথ্য।

বিবৃতিতে আইওএমের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে স্বপ্নের গন্তব্যে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বিপদসঙ্কুল পথ বেছে নেওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে পথেই প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৮ হাজার ৯৩৮ জন । এর আগে কখনও কোনো এক বছরে এত সংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু ঘটেনি।

এই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের একটি বড় অংশ ভূমধ্যসাগরের এশিয়া ও আফ্রিকান উপকূল থেকে ইউরোপের পথে পাড়ি দিতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া অন্যান্য রুটেও মৃত্যুর হার ছিল বিগত বছরগুলোর তুলনায় বেশি।

 

অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মৃত্যুর আর একটি বড় কারণ সহিংসতা। আইওএমের হিসাব বলছে, ২০২৪ সালে যত অভিবাসী প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের মধ্যে অন্তত ১০ শতাংশের নিহত হওয়ার কারণ গুলি, ছুরিকাঘাত এবং প্রহার। অনেকক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় বাহিনী সরাসরি এসব সহিংসতা চালিয়েছে।

আইওএমের একজন মুখপাত্র রয়টার্সকে বলেছেন, ইরান, মিয়ানমার, বাংলাদেশ এবং মেক্সিকোতে এ ধরনের সহিংসতার জেরে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি। তবে এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য কারা দায়ী— সে ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি।

বিবৃতিতে আইওএমের মহাপরিচালক উগোশি ড্যানিয়েলস বলেছেন, “বিশ্বজুড়ে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ক্রমবর্ধমান মৃত্যু আমাদের এই বার্তা দিচ্ছে যে এ সংকট মোকাবিলা করার জন্য আমাদের একটি আন্তর্জাতিক ও সামগ্রিক নীতি প্রয়োজন। আমরা এ ধরনের দুঃখজনক প্রাণহানি আর দেখতে চাই না।”

সূত্র : রয়টার্স

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Macrosys