মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্যারিসে ‘ঢাকা ক্লাব ফ্রান্স’-এর যাত্রা ফ্রান্সে ‘ফ্রাঙ্কো বাংলা সামার ফেস্টে’ গাইবেন জেমস, রাহুল আনন্দসহ জনপ্রিয় শিল্পীরা ফ্রান্সে ‘শাহ্ গ্রুপ ও অফিওরা’-এর যৌথ আয়োজনে ২ আগস্ট মঞ্চ মাতাবেন ‘জেমস’ নীরব মহামারী হেপাটাইটিস কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে SAF-এর সম্পূর্ণ বিনামূল্যের সুশি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের শুভ সূচনা ফ্রান্সসহ ইউরোপীয় দেশসমূহে দাবদাহ: কারণ, প্রভাব ও করণীয় ফ্রান্সে সংবর্ধিত হলেন যুক্তরাজ্য বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য তপন সাংবাদিকতায় কৃতিত্বের পুরস্কার পেলেন জুনেদ ফারহান এমপি মমতাজ আলোকে অভিনন্দন জানালো ‘মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রবাসী এসোসিয়েশন’ বেদে সম্প্রদায় নিয়ে প্যারিসে তথ্য-চলচ্চিত্র “ভাসমান জীবন” প্রদর্শনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বোনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১ জুন, ২০২১

নিউজ ডেস্ক: বিমার টাকা পরিশোধ না করায় সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বোন অধ্যাপক রুবিনা হামিদের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের দায়ের করা মামলায় ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছেন আদালত।

মামলার আসামিরা হলেন- সানলাইফ ইস্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রুবিনা হামিদ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. নূরুল ইসলাম, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আসলাম রেজা, অডিট অফিসার মো. সাইদুর রহমান খান ও কোম্পানি সচিব মো. রবিউল ইসলামসহ আরো দুইজন।

তাদের বিরুদ্ধে বিমা সংক্রান্ত ৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দৌলতপুর উপজেলার খলিসাকুন্ডি ইউনিয়নের হাকিম জোয়ার্দ্দারের ছেলে বশির আহমেদ, একই এলাকার মো. শামসুর রহমানের ছেলে হাবিবুর রহমান ও মনিরুজ্জামান ডাবলু বাদী হয়ে পৃথক মামলা দায়ের করেন।

ভুক্তভুগিদের অভিযোগ, ১০ বছর মেয়াদী বিমার মেয়াদপূর্তির পর সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি টাকা দিচ্ছে না। মেয়াদপূর্তি হলে একবারে ডাবল (দ্বিগুণ) টাকা দেবে। কিন্তু টাকা না দিয়ে উল্টো হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন গ্রাহকরা।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আব্দুল মতিন খন্দকার জানান, গ্রাহক প্রতারণায় সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বোন অধ্যাপক রুবিনা হামিদসহ সাতজনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট (পরোয়ানা) জারি করেন কুষ্টিয়ার আদালত। এখন পর্যন্ত আমার কাছে এ সংক্রান্ত মোট ১১টি মামলা আছে। মোট গ্রাহক ৪৯৭ জন। মোট অর্থের পরিমাণ ৯০ লাখ ৬২ হাজার ৯২৬ টাকা। যার মধ্যে নয়টি মামলাতে ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়েছে। দুটি মামলা লকডাউনের জন্য স্থগিত আছে। এর মধ্যে ছয়টি মামলার ওয়ারেন্ট চলে গেছে।

তিনি আরও বলেন, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের অফিস রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত। কুষ্টিয়া থেকে বনানী থানায় ওয়ারেন্ট গেলেও তা মান্য করা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Macrosys