1. ph.jayed@gmail.com : akothadesk42 :
  2. admin@amaderkatha24.com : kamader42 :
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্রান্সে সংবর্ধিত হলেন যুক্তরাজ্য বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য তপন সাংবাদিকতায় কৃতিত্বের পুরস্কার পেলেন জুনেদ ফারহান এমপি মমতাজ আলোকে অভিনন্দন জানালো ‘মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রবাসী এসোসিয়েশন’ বেদে সম্প্রদায় নিয়ে প্যারিসে তথ্য-চলচ্চিত্র “ভাসমান জীবন” প্রদর্শনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন ‘স্মৃতিতে স্মরণে প্রিয় জন্মভূমি’ শিরোনামে প্যারিসে আন্তর্জাতিক কবিতা সন্ধ্যা রাজপথের সাহসী মুখ মমতাজ আলো সংগ্রামী থেকে সফল ব্যবসায়ী মিয়া মাসুদের গল্প ফাতেমা খাতুনের অর্থায়নে ‘আমাদের কথা’র উদ্যোগে ঈদ উপহার বণ্টন ফ্রান্সে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাহিদুলের প্যানেল জয়ী মিয়া মাসুদ: একজন সফল ব্যবসায়ীর পথচলার গল্প

শবনম ফারিয়াকে মেরে হাত ভেঙে দিয়েছিল তার স্বামী

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১

নিউজ ডেস্ক: বিচ্ছেদের বছরখানেক পর সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগের তির ছুড়েছেন টেলিভিশনের আলোচিত অভিনয়শিল্পী শবনম ফারিয়া। গতকাল বুধবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এ নির্যাতনের কথা লিখেছেন। তাঁর দাবি, সাবেক স্বামীর নির্যাতনে তাঁর হাত পর্যন্ত ভেঙে গিয়েছিল।

২০১৮ সালে হারুনুর রশীদ অপুর সঙ্গে আংটি বদল করেন শবনম ফারিয়া। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ে হয় তাঁদের। বিয়ের ঠিক ১ বছর ৯ মাসের মাথায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদ হয় তাঁদের। তখন ফারিয়া বিচ্ছেদের বিষয়ে স্পষ্ট করে কাউকে কিছুই বলেননি। সাবেক স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কে কোনো তিক্ততা নেই বলে জানিয়েছিলেন তিনি। উল্টো দেখা গেছে, বিয়ের দুই বছর পূর্তির খবর দিয়েছিলেন সংবাদমাধ্যমকে।

দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে ফারিয়ার দেওয়া ফেসবুক পোস্টটি ছিল এ রকম, ‘ছয় মাসও টিকবে না বলা বিয়েটা কীভাবে কীভাবে যেন দুই বছর টিকে গেল! সব ভুলে যাওয়া, দায়িত্ব থেকে পালানো, জিদ্দি ছেলেটা আজকাল স্বামী হয়ে ওঠার প্রবল চেষ্টা করছে। আর আমার রাগ ও ধৈর্যের পরিমাণ শান্তিনগর থেকে উত্তরার রাস্তার জ্যামের মতো প্রতিদিন বেড়েই যাচ্ছে।

আজকাল আমার ইউটিউবের সার্চ স্টোরিতে নাটকের পরিবর্তে রান্নার ভিডিওই বেশি পাওয়া যায়! কীভাবে নতুন বাসা সাজাব কিংবা কী কী কিনব, সেই তালিকা করতে করতে মাঝেমধ্যে রাতও শেষ হয়ে যায়। কী মুভি দেখব, তা ঠিক করতে করতে ঘুম চলে আসে! কোথায় খেতে যাব, ঠিক করতে করতে সব রেস্টুরেন্ট বন্ধ হওয়ার সময় এসে পড়ে! কী পরে বের হব, ঠিক করতে করতে মুভির সময় পার হয়ে যায়! দাওয়াতে কী নিয়ে যাব, ঠিক করতে করতে দাওয়াতেরও সময় পার হয়ে যায়! আমরা এমনই, আমি সব প্ল্যান করে করতে চাই।’

আর সে বলে, ‘‘‘গো উইথ দ্য ফ্লো।’’ আমি মালদ্বীপের সমুদ্রের পাড়ে নিরিবিলি বসে থাকতে চাই আর সে ব্যাংককে পার্টি করতে যেতে চায়। আমি যখন শুক্রবারে বিকেলে রিকশায় ঘুরতে চাই, সে বিছানায় শুয়ে পাবজি খেলায় মনোনিবেশ করতে চায়। আমরা ভিন্ন, কিন্তু দুজন মিলে “এক”। অনেক অভিমান, অনেক খুনসুটি, শুধু ঝগড়া এড়িয়ে থাকার জন্য বহু বহু দিন কথা না বলে থাকা। তারপরও “আমার এই পথ চলাতেই আনন্দ”।’

কিন্তু বিবাহবিচ্ছেদের এক বছর পর শবনম ফারিয়া ফেসবুকে যে পোস্টটি করেছেন, তা রীতিমতো হতবাক করেছে ভক্তদের, বিয়ের দুই বছর পূর্তির সঙ্গে যার কোনো মিলই নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ইলমার মৃত্যু প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই স্বামীর নির্যাতনের বিষয়ে মুখ খোলেন ফারিয়া। এবারও তিনি মাধ্যম হিসেবে বেছে নিলেন তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজকে। তিনি লিখেছেন, ‘মৃত মেয়েটার ছবি দেখার পর বারবার আমি দেড়–দুই বছর পেছনে ফিরে যাচ্ছিলাম। মনে পড়ছে, কীভাবে আমি “দেবী” সিনেমার পুরো প্রমোশন ভাঙা হাত নিয়ে করেছি। যখন কেউ জানতে চেয়েছে কী হয়েছে, বলেছি সিঁড়ি থেকে পড়ে ব্যথা পেয়েছি!’

ফারিয়া আরও লেখেন, ‘আমার সাহস ছিল না সবাইকে বলার যে কীভাবে ব্যথা পেয়েছি! কারণ, আমি জানতাম এই মানুষটার সঙ্গেই থাকতে হবে, নইলে মানুষ কী বলবে! আমার মা সমাজে মুখ দেখাবে কীভাবে! আমার দুই বোন যে স্বপ্ন নিয়ে এত আয়োজনের প্ল্যান করছে তাদের কী জবাব দেব!’ নিজের দোষ ভেবে চুপ থেকেছিলেন ফারিয়া। লিখেছেন, ‘কাবিনের তিন মাস না যেতেই এত কিছু!

নিশ্চয়ই সমস্যা আমারই! আমি এটা ভেবে দিনের পর দিন জানালা দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে, রাতের পর রাত নির্ঘুম কাটিয়েছি! বারবার ভেবেছি, কিছু হলে সবাই আমাকেই খারাপ বলবে! কিন্তু আমি খুব সৌভাগ্যবান যে আমার মা আমার সবচেয়ে বড় সাপোর্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে! সাহস দিয়েছে! বুঝিয়েছে, মানুষ কী বলে তার চেয়ে নিজের ভালো থাকা আরও অনেক জরুরি!’ সংগীতশিল্পী লোপা হোসাইনের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া একটি পোস্ট শেয়ার করেই কথাগুলো লিখেছেন শবনম ফারিয়া।

২০১৫ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে শবনম ফারিয়া ও অপুর বন্ধুত্ব হয়। ফেসবুকে দুজনেরই অনেক কমন বন্ধু ছিল। এরপর ফেসবুকে কথা বলতে বলতে দুজনের ভালো বন্ধুত্ব তৈরি হয়। একপর্যায়ে দুজনকে দুই পরিবারের সবার পছন্দ হয়। এরপর বিয়ের কাজটি সেরে নেন তাঁরা।

ফারিয়ার এ স্ট্যাটাসের বিষয়ে তাঁর স্বামীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। আমরা চেষ্টা করছি তাঁর সঙ্গে কথা বলে তাঁর বক্তব্য নেওয়ার জন্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Macrosys