1. ph.jayed@gmail.com : akothadesk42 :
  2. admin@amaderkatha24.com : kamader42 :
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বেদে সম্প্রদায় নিয়ে প্যারিসে তথ্য-চলচ্চিত্র “ভাসমান জীবন” প্রদর্শনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন ‘স্মৃতিতে স্মরণে প্রিয় জন্মভূমি’ শিরোনামে প্যারিসে আন্তর্জাতিক কবিতা সন্ধ্যা রাজপথের সাহসী মুখ মমতাজ আলো সংগ্রামী থেকে সফল ব্যবসায়ী মিয়া মাসুদের গল্প ফাতেমা খাতুনের অর্থায়নে ‘আমাদের কথা’র উদ্যোগে ঈদ উপহার বণ্টন ফ্রান্সে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাহিদুলের প্যানেল জয়ী মিয়া মাসুদ: একজন সফল ব্যবসায়ীর পথচলার গল্প মানবতার আলো ছড়াচ্ছে শাহ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ৫৫০ পরিবারের মাঝে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ শাহ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের আগামী ১৭মার্চ প্রকাশক ফাতেমা খাতুনের অর্থায়নে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

১৪ বার গর্ভপাত করতে বাধ্য, নারীর আত্মহত্যা

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৫ জুলাই, ২০২২

নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে লিভ টুগেদার করেছেন। এ সময়ের মধ্যে নারী সঙ্গীকে একবার, দুবার নয় ১৪ বার গর্ভপাত করার জন্য বাধ্য করেন পুরুষ সঙ্গী। আর এ থেকে সৃষ্ট মানসিক অবসাদেই আত্মহত্যা করেছেন ওই নারী সঙ্গী। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের দিল্লিতে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়, গত ৫ জুলাই দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লির জেতপুর এলাকায় ওই নারী আত্মহত্যা করেন। তার বাড়ি থেকে একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়েছে। সেখান থেকে পুরো বিষয়টি জানতে পারেন পুলিশ কর্মকর্তারা। তারা জানান, সুইসাইড নোটেই জোর করে গর্ভপাত করানোর ঘটনার কথা উল্লেখ ছিল।

সুইসাইড নোটে ওই নারী লেখেন, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে দিনের পর দিন শারীরিক সম্পর্ক করেন ওই ব্যক্তি। এতে তিনি ১৪ বার অন্তঃসত্ত্বাও হয়ে পড়েন। কিন্তু জোর করে তার গর্ভপাত করানো হয়। একাধিকবার ওই ব্যক্তিকে বিয়ে করতে বলেন তিনি। কিন্তু ওই ব্যক্তি সে কথা শোনেননি। এমন পরিস্থিতিতে আত্মহননের পথ বেছে নেওয়া ছাড়া তার কাছে আর কোনো উপায় ছিল না।

এদিকে, ৫ জুলাই একটি ফোন বুথ থেকে ফোন পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ওই নারীর বাড়িতে ছুটে যায় পুলিশ। গিয়ে দেখে, সিলিংয়ের সঙ্গে তার দেহ ঝুলছে। পরে তাকে উদ্ধার করে এইমস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের পর ওই নারীর মরদেহ তার পরিবারের কাছে তুলে দেওয়া হয়।

সুইসাইড নোটের পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে একটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ তুলে ইতোমধ্যেই ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত একটি সফটওয়্যার সংস্থার কর্মী।

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, এর আগে ওই নারীর বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু গত ৭-৮ বছর ধরে স্বামীর সঙ্গে আলাদাই থাকতেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Macrosys