1. ph.jayed@gmail.com : akothadesk42 :
  2. admin@amaderkatha24.com : kamader42 :
শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:২৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নিকন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশি নির্মাতা সৈয়দ সাহিলের শর্ট ফিল্ম ‘আনসিন’ ফ্রান্সে বিএনপির সুনামগঞ্জ-৫ আসনের প্রার্থী কলিম উদ্দিেনর মতবিনিময় সভা জিয়াউর রহমান ও বেগম জিয়ার কবর জিয়ারত ফ্রান্স, পর্তুগাল ও ইউরোপ বিএনপির নেতৃবৃন্দের সরকারি চাকরীজীবীরা কোনো পক্ষ নিতে পারবেন না নতুন ঠিকানায় লাকর্নভে বাংলা অটো ইকোল-এর উদ্বোধন মেক্সিকোতে ৬.৫ মাত্রার ভূমিকম্প, ব্রিফিং ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন প্রেসিডেন্ট কখনো আপস করেননি খালেদা জিয়া খালেদা জিয়া: বাংলাদেশের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিশ্বনেতাদের শোক একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই : তারেক রহমান

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বোনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১ জুন, ২০২১

নিউজ ডেস্ক: বিমার টাকা পরিশোধ না করায় সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বোন অধ্যাপক রুবিনা হামিদের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের দায়ের করা মামলায় ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছেন আদালত।

মামলার আসামিরা হলেন- সানলাইফ ইস্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রুবিনা হামিদ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. নূরুল ইসলাম, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আসলাম রেজা, অডিট অফিসার মো. সাইদুর রহমান খান ও কোম্পানি সচিব মো. রবিউল ইসলামসহ আরো দুইজন।

তাদের বিরুদ্ধে বিমা সংক্রান্ত ৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দৌলতপুর উপজেলার খলিসাকুন্ডি ইউনিয়নের হাকিম জোয়ার্দ্দারের ছেলে বশির আহমেদ, একই এলাকার মো. শামসুর রহমানের ছেলে হাবিবুর রহমান ও মনিরুজ্জামান ডাবলু বাদী হয়ে পৃথক মামলা দায়ের করেন।

ভুক্তভুগিদের অভিযোগ, ১০ বছর মেয়াদী বিমার মেয়াদপূর্তির পর সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি টাকা দিচ্ছে না। মেয়াদপূর্তি হলে একবারে ডাবল (দ্বিগুণ) টাকা দেবে। কিন্তু টাকা না দিয়ে উল্টো হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন গ্রাহকরা।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আব্দুল মতিন খন্দকার জানান, গ্রাহক প্রতারণায় সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বোন অধ্যাপক রুবিনা হামিদসহ সাতজনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট (পরোয়ানা) জারি করেন কুষ্টিয়ার আদালত। এখন পর্যন্ত আমার কাছে এ সংক্রান্ত মোট ১১টি মামলা আছে। মোট গ্রাহক ৪৯৭ জন। মোট অর্থের পরিমাণ ৯০ লাখ ৬২ হাজার ৯২৬ টাকা। যার মধ্যে নয়টি মামলাতে ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়েছে। দুটি মামলা লকডাউনের জন্য স্থগিত আছে। এর মধ্যে ছয়টি মামলার ওয়ারেন্ট চলে গেছে।

তিনি আরও বলেন, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের অফিস রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত। কুষ্টিয়া থেকে বনানী থানায় ওয়ারেন্ট গেলেও তা মান্য করা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Macrosys