1. ph.jayed@gmail.com : akothadesk42 :
  2. admin@amaderkatha24.com : kamader42 :
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০২:০১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বেদে সম্প্রদায় নিয়ে প্যারিসে তথ্য-চলচ্চিত্র “ভাসমান জীবন” প্রদর্শনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন ‘স্মৃতিতে স্মরণে প্রিয় জন্মভূমি’ শিরোনামে প্যারিসে আন্তর্জাতিক কবিতা সন্ধ্যা রাজপথের সাহসী মুখ মমতাজ আলো সংগ্রামী থেকে সফল ব্যবসায়ী মিয়া মাসুদের গল্প ফাতেমা খাতুনের অর্থায়নে ‘আমাদের কথা’র উদ্যোগে ঈদ উপহার বণ্টন ফ্রান্সে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাহিদুলের প্যানেল জয়ী মিয়া মাসুদ: একজন সফল ব্যবসায়ীর পথচলার গল্প মানবতার আলো ছড়াচ্ছে শাহ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ৫৫০ পরিবারের মাঝে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ শাহ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের আগামী ১৭মার্চ প্রকাশক ফাতেমা খাতুনের অর্থায়নে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

‘বাংলাদেশকে বিপদে ফেলতে চাই না’

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : বুধবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২০

নিউজ ডেস্ক: চীনজুড়ে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাস। যেখানে বর্তমানে কয়েক হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীও বসবাস করছে। এর মধ্যে করোনার উৎপত্তিস্থল উহানে প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী রয়েছে।

উহান ছাড়াও চীনের যেসব প্রদেশে বা শহরে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা রয়েছে তার মধ্যে ইউনানেও আছে কয়েকশ। সেখান থেকে ফেসবুকে ভিডিওর মাধ্যমে করোনা পরিস্থিতি জানিয়েছেন এক বাংলাদেশি ছাত্রী।

অনেক শিক্ষার্থী বাংলাদেশে ফিরতে চাচ্ছে। কিন্তু শহরে এখন মানুষজনকে ঘর থেকে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে। ফলে চাইলেও তারা দেশে ফিরতে পারছেন না।

তবে বর্ণ সিদ্দিকী নামের ওই শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, চীন সরকার এখন দেশে ফিরতে দিলেও তিনি ফিরতে চান না। কারণ শরীরে করোনা ভাইরাস আছে কিনা নিশ্চিত নন। যদি থাকে আর এ অবস্থা দেশে ফিরলে দেশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। এজন্য নিশ্চিত না হয়ে দেশে ফিরতে চান না বর্ণ।

ভিডিওতে বর্ণ বলেন, চীন সরকারের সাথে বাংলাদেশ সরকারের যদি আলোচনা হয় এবং দেশে ফিরতে দেয়া হয় তবুও আমি এ অবস্থায় দেশে ফিরতে চাই না।

‘কারণ, এই ভাইরাস শরীরে থাকলে ১৪ দিন পরে বুঝতে পারা যায়। এখন যদি আমার শরীরে থাকে আর আমি দেশে যাই তাহলে আমার দেশেও ছড়িয়ে পড়বে। আমার পরিবারের সদস্যদের তারপর মসিজদ বা জনসমাগম স্থান থেকে অন্যদের; এভাবে আমাদের দেশ বিপদে পড়ে যাবে। এজন্য আমি এখনই দেশে ফিরতে চাই না।’

ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বর্ণ বলেন, ‘এ মুর্হূতে দেশের স্বার্থে আমি আমার মাতৃভূমিতে যাব না। চীনে আমরা শিক্ষার্থী ছাড়াও আরও হাজার হাজার বাংলাদেশি আছেন। আমরা জানি না, এ রোগটা কারও কাছে চলে এসেছে। এ রোগটার একটা অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে, এটি শরীরে আসার পর থেকে ১৪ দিন অবস্থান করবে এবং কোনো লক্ষণও প্রকাশ করবে না। এখন আমরা যারা এখানে আছি, তারা যদি দেশে ফিরে যাই তাহলে নিজের অজান্তেই কারও না কারও সাথে এ ভাইরাস দেশে চলে যেতে পারে। তাই দেশের স্বার্থে এখন চীনে থাকাই ভালো।’

এছাড়াও বর্ণ সিদ্দিকী নামের ওই শিক্ষার্থী ভিডিওতে জানান, চীনের বাস্তব পরিস্থিতি অনেক ভয়াবহ। যার বহির্বিশ্বের গণমাধ্যমে আসছে না। কেননা চীনের সরকার এ বিষয়ের খবর প্রকাশে কড়াকড়ি করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Macrosys