1. ph.jayed@gmail.com : akothadesk42 :
  2. admin@amaderkatha24.com : kamader42 :
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্রান্সে সংবর্ধিত হলেন যুক্তরাজ্য বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য তপন সাংবাদিকতায় কৃতিত্বের পুরস্কার পেলেন জুনেদ ফারহান এমপি মমতাজ আলোকে অভিনন্দন জানালো ‘মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রবাসী এসোসিয়েশন’ বেদে সম্প্রদায় নিয়ে প্যারিসে তথ্য-চলচ্চিত্র “ভাসমান জীবন” প্রদর্শনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন ‘স্মৃতিতে স্মরণে প্রিয় জন্মভূমি’ শিরোনামে প্যারিসে আন্তর্জাতিক কবিতা সন্ধ্যা রাজপথের সাহসী মুখ মমতাজ আলো সংগ্রামী থেকে সফল ব্যবসায়ী মিয়া মাসুদের গল্প ফাতেমা খাতুনের অর্থায়নে ‘আমাদের কথা’র উদ্যোগে ঈদ উপহার বণ্টন ফ্রান্সে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাহিদুলের প্যানেল জয়ী মিয়া মাসুদ: একজন সফল ব্যবসায়ীর পথচলার গল্প

তিল ধারনের জায়গা নেই, এ যেন ঈদের ছুটি!

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২০

নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে ২৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। অর্থাৎ ২৬ মার্চের ছুটি থেকে শুরু হয়ে সাপ্তাহিক নিয়মিত ও সাধারণ ছুটি মিলিয়ে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব ধরনের অফিস বন্ধ থাকবে। লম্বা ছুটি ঘোষণার পর দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে উপচেপড়া ভিড় লেগেছে ঘরমুখী মানুষের।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল থেকে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ছিল ঘরমুখী মানুষের উপচেপড়া ভিড়। দেখে মনে হয়েছে ঈদের ছুটিতে ঘরে ফিরছে মানুষ।

যেখানে সরকারের পক্ষ থেকে বার বার বলা হয়েছে যে যেখানে আছেন; সেখানেই থাকেন। প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে বের হওয়ার দরকার নেই। এ অবস্থায় শিমুলিয়া ঘাটের জনস্রোত করোনা প্রতিরোধে সচেতনতাকে ম্লান করে দিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। কেউ কেউ এই জনস্রোতকে করোনা নিয়ে বাড়ি যাওয়ার মতো অবস্থা বলেছেন। আবার কেউ কেউ বলেছেন পরিবারে করোনা ছড়াতে ঢাকা ছেড়েছেন এসব মানুষ।

শিমুলিয়া ঘাট সূত্র জানায়, সোমবার রাত থেকেই বাড়ির পথে ছুটছে মানুষ। মঙ্গলবার সকাল থেকে লেগে যায় জনস্রোত। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জনস্রোত দ্বিগুণ হয়ে যায়। কোনো ফেরিতে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। যেন ঈদের উৎসবে বাড়ি ফিরছেন সবাই। এদের অনেকেরই মুখে ছিল না মাস্ক। করোনা আতঙ্ক কিংবা সচেতনতা এদের কারও মধ্যেই ছিল না।একজন আরেকজন থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরার পরামর্শ দেয়া হলেও জড়াজড়ি করে বাড়ি ফিরেছেন তারা। একজনের সঙ্গে মিশে গেছে আরেকজনের শরীর। এ অবস্থায় করোনা সংক্রমণ যে আরও বিস্তৃত হবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। করোনা নিয়ে আশঙ্কাটা আরও বাড়িয়ে দিল শিমুলিয়া ঘাটের উপচেপড়া ভিড়।

এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) আব্দুল মোমেন বলেন, লঞ্চ, স্পিডবোট ও ট্রলার আগেই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু যাত্রীদের চাপ দেখে ফেরি দিয়ে যতটুকু নিরাপদে রেখে তাদের পার করা সম্ভব তাই করেছি। কারণ এসব ঘরমুখী যাত্রী ঘাটে জড়ো হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমাদের পক্ষে যতটুকু সম্ভব অনেককেই বুঝিয়ে ফেরত পাঠিয়েছি। যারা আমাদের কথা শোনেনি তারা বিভিন্নভাবে গন্তব্যে গেছে। যদি ঢাকা থেকে আসা বন্ধ করা যেত তাহলে যাত্রীদের এত চাপের সৃষ্টি হত না। এদের মাঝে করোনা আতঙ্ক নেই; হুমড়ি খেয়ে পড়েছে বাড়ি যাওয়ার জন্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Macrosys