1. ph.jayed@gmail.com : akothadesk42 :
  2. admin@amaderkatha24.com : kamader42 :
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্রান্সে সংবর্ধিত হলেন যুক্তরাজ্য বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য তপন সাংবাদিকতায় কৃতিত্বের পুরস্কার পেলেন জুনেদ ফারহান এমপি মমতাজ আলোকে অভিনন্দন জানালো ‘মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রবাসী এসোসিয়েশন’ বেদে সম্প্রদায় নিয়ে প্যারিসে তথ্য-চলচ্চিত্র “ভাসমান জীবন” প্রদর্শনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন ‘স্মৃতিতে স্মরণে প্রিয় জন্মভূমি’ শিরোনামে প্যারিসে আন্তর্জাতিক কবিতা সন্ধ্যা রাজপথের সাহসী মুখ মমতাজ আলো সংগ্রামী থেকে সফল ব্যবসায়ী মিয়া মাসুদের গল্প ফাতেমা খাতুনের অর্থায়নে ‘আমাদের কথা’র উদ্যোগে ঈদ উপহার বণ্টন ফ্রান্সে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাহিদুলের প্যানেল জয়ী মিয়া মাসুদ: একজন সফল ব্যবসায়ীর পথচলার গল্প

মাস্কসহ অন্যান্য পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২০

নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, মাস্কসহ অন্যান্য পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এসব পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দেয়া হবে। এসব পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার খবর প্রকাশের পর থেকেই দেশের ওষুধের দোকানগুলোয় হাতের জীবাণুনাশক এবং মাস্কের সংকট দেয়া দিয়েছে। অনেক স্থানে কয়েকগুণ চড়া দামে মাস্ক বিক্রি হচ্ছে বলে ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন।

আতঙ্কে অনেকেই বেশি পরিমাণ এসব উপকরণ কেনার ফলে ডাক্তার, নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীরাই পাচ্ছেন না প্রয়োজনীয় এই সব দ্রব্য। ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রি এতটাই বেড়েছে যে অনেক স্থানেই এখন এসব পণ্য স্টক আউট। কোথাও পাওয়া গেলেও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে দাম অনেক বেশি।

সোমবার রাজধানীর ফার্মগেট, শাহবাগ ও ধানমন্ডি এলাকায় ঘুরে দেখা যায় অনেক দোকানেই মাস্ক নেই। অনেকেই মাস্ক কিনতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন।

আহসান কবির নামের একজন ক্রেতা জানান, করোনা আক্রান্তের খবর শোনার পর মনে আতঙ্ক ধরে গেছে। যতোটা সম্ভব সতর্ক থাকার জন্য মাস্ক কিনতে এসেছি। নিজের এবং সন্তানের জন্য ২টা মাস্ক কিনেছি।

শুক্রাবাদের বাসিন্দা সাবিনা বলেন, ‘বাচ্চাদের নিয়ে স্কুলে যাতায়াত করি, সে জন্যই মাস্ক কেনা। কয়েকদিন আগে যে মাস্ক কিনেছি ২০ টাকা দিয়ে সেটাই এখন কিনলাম ১০০ টাকা দিয়ে। তাও তো এখানে ১০০ টাকায় পেলাম, মিরপুর রোডে এই মাস্কই দেখে এলাম ১৫০ টাকা।’

গুলশানের বাসিন্দা উম্মুল খায়ের নীতু জানান, তিনি বনানী আর শ্যামলীতে সব দোকান খুঁজেও হ্যাক্সিসল পাননি। অবশেষে গুলশান ২ নম্বরের এক ফার্মেসি থেকে হ্যাক্সিসল কিনেছেন। কিন্তু সেই দোকান থেকে মাস্ক ইতোমধ্যে স্টক-আউট হয়ে গেছে।

গণমাধ্যমকর্মী মাকসুদ উন নবী বলেন, মগবাজারের মধুবাগের পাঁচটি ওষুধের দোকান ঘুরে তিনি হ্যান্ড স্যানিটাইজার পাননি। মার্কেট আউট বলে জানিয়েছেন বিক্রয়কর্মীরা।

মাকসুদ বলেন, এসব দোকানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার আর মাস্কের জন্য যে পরিমাণ ভিড় দেখেছেন তাতে বোঝা যাচ্ছে মানুষ আতঙ্কিত।

ফার্মগেটে ফুটপাতের দোকানে মাস্ক বিক্রেতা জসিম বলেন, দুইটার নিচে কেউ আর মাস্ক কিনছেন না। পাইকারি বিক্রেতারা মাস্কের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাই আমরা বেশি দামে বিক্রি করছি।

অনলাইনে কেনাকাটা করার বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও ফেসবুকে পেজেও বেড়েছে মাস্কের চাহিদা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Macrosys