1. ph.jayed@gmail.com : akothadesk42 :
  2. admin@amaderkatha24.com : kamader42 :
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্রান্সে সংবর্ধিত হলেন যুক্তরাজ্য বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য তপন সাংবাদিকতায় কৃতিত্বের পুরস্কার পেলেন জুনেদ ফারহান এমপি মমতাজ আলোকে অভিনন্দন জানালো ‘মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রবাসী এসোসিয়েশন’ বেদে সম্প্রদায় নিয়ে প্যারিসে তথ্য-চলচ্চিত্র “ভাসমান জীবন” প্রদর্শনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন ‘স্মৃতিতে স্মরণে প্রিয় জন্মভূমি’ শিরোনামে প্যারিসে আন্তর্জাতিক কবিতা সন্ধ্যা রাজপথের সাহসী মুখ মমতাজ আলো সংগ্রামী থেকে সফল ব্যবসায়ী মিয়া মাসুদের গল্প ফাতেমা খাতুনের অর্থায়নে ‘আমাদের কথা’র উদ্যোগে ঈদ উপহার বণ্টন ফ্রান্সে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাহিদুলের প্যানেল জয়ী মিয়া মাসুদ: একজন সফল ব্যবসায়ীর পথচলার গল্প

হৃদয়ের কথা জানালেন কাজী এনায়েত উল্লাহ

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২

১৯৭৮ সালে ফ্রান্সে এসেছিলাম উচ্চ শিক্ষার্থে। সে সময় হাতে গোনা কয়েকজন বাংলাদেশী ছিলাম আমরা, অধিকাংশই ছিলাম ছাত্র ।পড়ালেখা আর দৈনন্দিন খরচ মিটানোর প্রয়োজনে পার্ট টাইম কাজ করতে হতো।সূযোগ সুবিধাও তেমন ছিলোনা।

 

 

অফিস ক্লিনিং, ট্রাকের মাল লোডিং আর আনলোডিং যারা করতে পারতেন তাদের আয় ছিলো একটু যুক্তিসঙ্গত।
আমার একটা সূযোগ এসে গেলো একটা ফরাসি কাফের কোনায় এক বিশেষ আয়োজনে একটা ক্রেপ ( ফরাসি পিঠা) সেই সংগে মারোঁ Marron(Chestnut) কয়লার আগুনে পুড়ে পথচলা ক্লান্ত মানূষ গুলোকে পরিবেশন করা।

জীবনের প্রথম কাজ, প্রথম আয়, কতো আনন্দের। সেই সঙ্গে একেবারের প্রথম উপার্জিত অর্থ বাবা, মাকে পাঠানোর আনন্দের কোন পরিমাপ হয়না। গত কাল প্যারিসের রাস্তা দিয়ে আমার সহকারীর সঙ্গে হেঁটে যাচ্ছিলাম, মেয়েটা আমাকে উদ্দেশ্য করো বল্লো, দেখুন আপনি আজ আপনার অতীতের সামনে দাঁড়িয়ে।

লক্ষ করলাম একটা ট্রলির উপর এক বিশেষ ব্যাবস্থাপনায় চুল্লি স্থাপন করে মাঁরো ভাজছে এক তরুন। মনে হলো সে বাংলাদেশী।আমি প্রশ্ন করলাম “ খিতা বা, বালানি”? উত্তর এলো, আপ ইন্ডিয়ান হ্যায় সাব? বললাম না, তবে তোমার দোকানে মারো বিক্রি করতে চাই।সে একটু আশ্চর্য হলো।

বললো সত্যি? আমি তখন তার যায়গায় দাঁড়িয়ে মারো বিক্রি করতে লেগে গেলাম।উচ্চস্বরে গরম গরম মারো আছে, নিয়ে যান পরিবারের জন্য আর আপনিও মওসুমের এই ফল উপভোগ করুন ।পাশে ছেলেটা আশ্চর্য হলেও খুব উপভোগ করছিলো আমার কার্য কলাপ। শেষে ১০ ইউরোর মাঁরো কিনে, তাকে আরো ১০ ইউরো উপহার দিয়ে বিদায় নিলাম। সে কিন্তু শেষ পর্যন্তও বুঝতে পারেনি আমার এই ব্যাবহারের কারন এবং আমার জীবনের এক সময়কার গর্বিত অধ্যায়ের ইতিহাস।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Macrosys