রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্যারিসে ‘ঢাকা ক্লাব ফ্রান্স’-এর যাত্রা ফ্রান্সে ‘ফ্রাঙ্কো বাংলা সামার ফেস্টে’ গাইবেন জেমস, রাহুল আনন্দসহ জনপ্রিয় শিল্পীরা ফ্রান্সে ‘শাহ্ গ্রুপ ও অফিওরা’-এর যৌথ আয়োজনে ২ আগস্ট মঞ্চ মাতাবেন ‘জেমস’ নীরব মহামারী হেপাটাইটিস কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে SAF-এর সম্পূর্ণ বিনামূল্যের সুশি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের শুভ সূচনা ফ্রান্সসহ ইউরোপীয় দেশসমূহে দাবদাহ: কারণ, প্রভাব ও করণীয় ফ্রান্সে সংবর্ধিত হলেন যুক্তরাজ্য বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য তপন সাংবাদিকতায় কৃতিত্বের পুরস্কার পেলেন জুনেদ ফারহান এমপি মমতাজ আলোকে অভিনন্দন জানালো ‘মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রবাসী এসোসিয়েশন’ বেদে সম্প্রদায় নিয়ে প্যারিসে তথ্য-চলচ্চিত্র “ভাসমান জীবন” প্রদর্শনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন

সুন্দরী নারীর মাধ্যমে অর্থপাচারও করেছেন পাপিয়া

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২০

নিউজ ডেস্ক: রিমান্ডে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়ে চলেছেন যুব মহিলা লীগ থেকে বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়া। নারীদের মাধ্যমে রাজধানীর হোটেলগুলোতে যৌনবাণিজ্যের পাশাপাশি তাদের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন পাপিয়া। রিমান্ডে গোয়েন্দা পুলিশের কাছে এই তথ্য দিয়েছেন এ নারী নেত্রী।

সেই তথ্যের সূত্র ধরে পাপিয়ার মাধ্যমে যেসব সুন্দরী তরুণী বিদেশ থেকে এ দেশে আসতেন এবং বিদেশ যেতেন, তাদের নামের একটি তালিকা করছেন গোয়েন্দা সদস্যরা।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইমের ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, পাপিয়ার বিরুদ্ধে অর্থপাচারের বেশ কিছু তথ্য মিলেছে। আরও কিছু তথ্য বিভিন্ন সংস্থা থেকে আসবে। তার অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

পাপিয়ার অপরাধগুলো সংগঠিত অপরাধ উল্লেখ করে এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, এর সঙ্গে আরও অনেক রাঘববোয়াল জড়িত। তবে যারাই জড়িত থাকুক সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

এদিকে গোয়েন্দা জিজ্ঞাসাবাদে পাপিয়া স্বীকার করেছেন, নারী ব্যবসার আড়ালে মুদ্রাপাচার ছিল তার অন্যতম বাণিজ্য। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বেশ কিছু অ্যাকাউন্টে এসব অর্থ রয়েছে বলে জানিয়েছেন। মানিলন্ডারিং অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু তথ্য দিয়েছেন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে নারীদের বাংলাদেশে এনে অনৈতিক ব্যবসা পরিচালনা করতেন পাপিয়া। গ্রাহকদের প্রয়োজনে বিদেশেও পাঠানো হতো সুন্দরী নারী। রাশিয়া, থাইল্যান্ড থেকে যেসব সুন্দরী তরুণী দেশে আনতেন, তাদের মাধ্যমেও বেশ কিছু অর্থ তিনি ওইসব দেশে পাচার করেছেন। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট ওইসব তরুণীর তথ্য নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন গোয়েন্দা সদস্যরা।

পাপিয়ার মামলার তদারকি কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার মশিউর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, তার দেয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই চলছে। নারী ব্যবসা, মাদকপাচার, অস্ত্র ও জালটাকার বাণিজ্যসহ অপরাধ জগতের অজানা সব কাহিনী অকপটে বলছেন পাপিয়া। যেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে আর কেউ জড়িত আছে কিনা তাও খোঁজা হচ্ছে।

এদিকে পাপিয়ার সঙ্গে গ্রেফতার হওয়া তায়্যিবা ডিবিকে জানিয়েছেন, অনেক সময় চাহিদামতো থাইল্যান্ড, নেপাল, ভারত, ভুটান ও রাশিয়া থেকে উঠতি বয়সী তরুণীদের নিয়ে আসা হতো। পার্বত্য অঞ্চল থেকেও পাহাড়ি মেয়েদের নিয়ে আসতেন পাপিয়া।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Macrosys