1. ph.jayed@gmail.com : akothadesk42 :
  2. admin@amaderkatha24.com : kamader42 :
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বেদে সম্প্রদায় নিয়ে প্যারিসে তথ্য-চলচ্চিত্র “ভাসমান জীবন” প্রদর্শনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন ‘স্মৃতিতে স্মরণে প্রিয় জন্মভূমি’ শিরোনামে প্যারিসে আন্তর্জাতিক কবিতা সন্ধ্যা রাজপথের সাহসী মুখ মমতাজ আলো সংগ্রামী থেকে সফল ব্যবসায়ী মিয়া মাসুদের গল্প ফাতেমা খাতুনের অর্থায়নে ‘আমাদের কথা’র উদ্যোগে ঈদ উপহার বণ্টন ফ্রান্সে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাহিদুলের প্যানেল জয়ী মিয়া মাসুদ: একজন সফল ব্যবসায়ীর পথচলার গল্প মানবতার আলো ছড়াচ্ছে শাহ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ৫৫০ পরিবারের মাঝে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ শাহ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের আগামী ১৭মার্চ প্রকাশক ফাতেমা খাতুনের অর্থায়নে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

যদি মা-বাবা অমুসলিম হন

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২০

মো. আবদুল মজিদ মোল্লা

সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার ব্যাপারে চারটি আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। আমার মা শপথ করেন আমি মুহাম্মদ (সা.)-এর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন না করা পর্যন্ত তিনি পানাহার করবেন না। আল্লাহ তখন অবতীর্ণ করেন, ‘যদি তারা (মা-বাবা) বাধ্য করে আমার সঙ্গে শিরক করতে যে ব্যাপারে তোমার কোনো জ্ঞান নেই, তবে অনুসরণ কোরো না। তবে পৃথিবীতে তাদের সঙ্গে উত্তম আচরণ করো।…’ (আদাবুল মুফরাদ, হাদিস : ২৪)

আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.) এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, ‘কোনো মা-বাবা সন্তানকে আল্লাহর অবাধ্য হতে বললে সে তাদের আনুগত্য করবে না। তবে তাদের এই নির্দেশ পৃথিবীতে তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক নয়।’ ইমাম তাবারি (রহ.) বলেন, ‘অমুসলিম মা-বাবার যে নির্দেশ আল্লাহর আনুগত্যের পথে প্রতিবন্ধক নয় তা অনুসরণ করাও সন্তানের জন্য আবশ্যক।’

আলোচ্য আয়াত ও হাদিস থেকে বোঝা যায়, মা-বাবা অমুসলিম হলেও সন্তান তাদের সঙ্গে সদাচরণ করবে। আল্লাহর অবাধ্যতার প্রশ্ন না থাকলে তাদের নির্দেশ মান্য করবে। ঈমান ও ইসলামের হুমকি না থাকলে অমুসলিম মা-বাবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখবে। কেননা রাসুলুল্লাহ (সা.) তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। আসমা বিনতে আবি বকর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা.)-এর যুগে আমার মা রাগিবা (অমুসলিম) আমার কাছে এলেন। আমি রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, তার সঙ্গে কি আমি আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখব? তিনি বললেন, হ্যাঁ।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৯৭৮)

এই ক্ষেত্রে অমুসলিম ও মুরতাদ (ইসলামচ্যুত) মা-বাবার মধ্যে পার্থক্য আছে। শরিয়তে মা-বাবা যদি মুসলিম থেকে মুরতাদ হয়ে যায় তবে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা যাবে না। ইমাম শাফেয়ি (রহ.) বলেন, ‘কেউ ইসলাম থেকে বিচ্যুত হলে তাকে তওবার আহ্বান করা হবে। সে তওবা করলে তার সঙ্গে মুসলমানের মতো আচরণ করা হবে। আর ইসলামের পথে ফিরে না এলে ইসলামী দণ্ডবিধি প্রয়োগ করা হবে।… এমন ব্যক্তি আত্মীয়তা, আনুগত্য ও অনুগ্রহের অধিকার হারায়। তাদের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখবে এবং সম্পর্ক ছিন্ন করবে। তবে তাদের সুপথে আনার উদ্দেশ্যে সম্পর্ক রাখা যাবে।’ (কিতাবুল উম : ১/২৫৭)

মা-বাবা অমুসলিম বা মুরতাদ হলেও তাদের গালমন্দ করা যাবে না। সমাজে তাদের অসম্মান করা যাবে না। আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেন, ‘কবিরা গুনাহর একটি হলো মা-বাবাকে গালি দেওয়া।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৯০) অমুসলিম মা-বাবার জন্য মুসলিম সন্তানের প্রধান করণীয় হলো, তাদের ঈমান ও সুপথ প্রাপ্তির জন্য দোয়া করা। সদাচরণের মাধ্যমে ইসলামের সৌন্দর্য তাদের সামনে তুলে ধরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Macrosys