সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বানানী উইমেন্স ক্লাবের মধ্যাহ্নভোজ ও পরিচিতি অনুষ্ঠান দালালের সাহায্যে নয়, বৈধ পথে ইতালি যাওয়ার সুযোগ ১০ হাজার বাংলাদেশির বদলে যাওয়া হিমালয়: নেপালে আকস্মিক বন্যার শিক্ষা পরীমনির গাড়ি বিতর্ক: এক মাসরুরকে বাঁচাতে আরেক মাসরুরের নাম টিকা দেওয়ার পরও কেন হামের সংক্রমণ? প্যারিসে ‘ঢাকা ক্লাব ফ্রান্স’-এর যাত্রা ফ্রান্সে ‘ফ্রাঙ্কো বাংলা সামার ফেস্টে’ গাইবেন জেমস, রাহুল আনন্দসহ জনপ্রিয় শিল্পীরা ফ্রান্সে ‘শাহ্ গ্রুপ ও অফিওরা’-এর যৌথ আয়োজনে ২ আগস্ট মঞ্চ মাতাবেন ‘জেমস’ নীরব মহামারী হেপাটাইটিস কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে SAF-এর সম্পূর্ণ বিনামূল্যের সুশি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের শুভ সূচনা

পরীমনিকে কোটি টাকার গাড়ি উপহার, নজরদারিতে ব্যাংকের চেয়ারম্যান

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৫ আগস্ট, ২০২১

নিউজ ডেস্ক: র‌্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটক হয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমনি। এর জের ধরে বেরিয়ে আসছে নতুন নতুন তথ্য। এরইমধ্যে পরীর সহযোগি রাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার কথিত চলচ্চিত্র প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজকেও আটক করেছে র‌্যাব।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য বলছে, পরীর ঘনিষ্ঠদের তালিকায় আছেন- পুলিশ কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, আমলা, রাজনীতিবিদসহ অনেক প্রভাবশালীর নাম। এদের কেউ কেউ দেশের বাইরে পরীর সঙ্গে ঘুরতে যান।

এদিকে পরীমনিকে গাড়ি উপহার দেয়া একটি বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যানকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে পরীর বেশ কয়েকটি ব্যাংক হিসাব।

সূত্রে জানা গেছে, পরীমনিকে গ্ল্যামার জগতে নিয়ে আসেন রাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার কথিত চলচ্চিত্র প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ। সিনেমায় নাম লেখানোর আগে দীর্ঘদিন তার কাছেই থাকতেন পরী।

পরীমনি ছাড়াও সম্প্রতি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নানা অপকর্মের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে কথিত মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা, মরিয়ম আক্তার মৌ ও তাদের একাধিক সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বাসা থেকে মদ, ইয়াবা, গাঁজা ও সিসা উদ্ধার করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

সেই ধারাবাহিকতায় বুধবার হালে আলোচিত-সমালোচিত নায়িকা পরীমণির বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করেছে র‌্যাব। সেখান থেকেও বিদেশি মদসহ বিভিন্ন মাদক উদ্ধার করা হয়েছে।

পিয়াসা-মৌয়ের একটি বড় চক্র রয়েছে। তারা সংঘবদ্ধ অপরাধে লিপ্ত। ভাসমান পতিতা পল্লীর আদলেই নিজেদের ‘আস্তানা’ তৈরি করেন। বাসায় ও বিভিন্ন ক্লাব-বারে পার্টির আয়োজন করেন। সেখানে উচ্চবিত্ত পরিবারের তরুণদের নানা ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে আকৃষ্ট করেন। সেখান থেকে আমন্ত্রণ জানান নিজেদের বাসায়।

জানা গেছে, আর সেই আমন্ত্রণে যারাই সাড়া দেন, তারাই মূলত ফাঁদে পড়ে যান। এই চক্রের কোনো নারী সদস্যের বাসায় কোনো তরুণ এলে নানা ধরনের মাদক সেবন করানো হয়। ফুর্তির এক পর্যায়ে তাকে কৌশলে নির্জন কক্ষে ডেকে নেয়া হয়। সেখানে তার ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয়, যা পরিণত হয় ব্ল্যাকমেইলের হাতিয়ারে। সেই ছবি ও ভিডিও দেখিয়ে টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে পরিবারের কাছে ছবি-ভিডিও পাঠানোর হুমকি দেয়া হয়। এভাবেই এই চক্রটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে আসছে বেশ কয়েক বছর ধরে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Macrosys