1. ph.jayed@gmail.com : akothadesk42 :
  2. admin@amaderkatha24.com : kamader42 :
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বেদে সম্প্রদায় নিয়ে প্যারিসে তথ্য-চলচ্চিত্র “ভাসমান জীবন” প্রদর্শনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন ‘স্মৃতিতে স্মরণে প্রিয় জন্মভূমি’ শিরোনামে প্যারিসে আন্তর্জাতিক কবিতা সন্ধ্যা রাজপথের সাহসী মুখ মমতাজ আলো সংগ্রামী থেকে সফল ব্যবসায়ী মিয়া মাসুদের গল্প ফাতেমা খাতুনের অর্থায়নে ‘আমাদের কথা’র উদ্যোগে ঈদ উপহার বণ্টন ফ্রান্সে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাহিদুলের প্যানেল জয়ী মিয়া মাসুদ: একজন সফল ব্যবসায়ীর পথচলার গল্প মানবতার আলো ছড়াচ্ছে শাহ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ৫৫০ পরিবারের মাঝে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ শাহ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের আগামী ১৭মার্চ প্রকাশক ফাতেমা খাতুনের অর্থায়নে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

শাটডাউনেও পোশাক কারখানা চালু রাখার দাবি

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : শুক্রবার, ২৫ জুন, ২০২১

নিউজ ডেস্ক: দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে আসন্ন শাটডাউনেও রপ্তানিমুখী কারখানাগুলোকে সীমিত পরিসরে উৎপাদন চালু রাখার অনুমতি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ফারুক হাসান। আজ শুক্রবার এ কথা বলেন বিজিএমইএ সভাপতি।

করোনা নিয়ন্ত্রণে দেশে একটানা ১৪ দিনের ‘সম্পূর্ণ শাটডাউন’ জারির যে সুপারেশ কোভিড ১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটি করেছে, তার সঙ্গে একমত পোষণ করে তিনি বলেন, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এখন এ ধরনের ‘শাটডাউন’ ঘোষণার সময় এসেছে। তবে একইসঙ্গে অর্থনীতি সচল রাখতে রপ্তানিমুখী কারখানাগুলোকে সীমিত পরিসরে উৎপাদন চালু রাখার অনুমতি দেওয়া উচিত।

শাটডাউনের কথা শুনে কারখানা মালিকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জানিয়ে ফারুক হাসান বলেন, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে কারখানা মালিকদের শাটডাউন মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিজিএমই। প্রয়োজনে উৎপাদন কিছুটা ব্যহত হলেও শাটডাউন প্রয়োজন বলেও তাদের বোঝানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এপ্রিলে লকডাউন ঘোষণার সময় রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা চালু রাখার অনুমতি দেওয়া হলেও অন্যান্য বিধিনিষেধের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে ক্রেতা বা কর্মকর্তারা কারখানায় যেতে পারেননি, অনেক শ্রমিকও কারখানায় যেতে পারেনি বলেও জানান তিনি।

শাটডাউনে কারখানা সচল রাখার পক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি বলেন, কোরবানির ঈদের আগে এখনই পুরোপুরি বন্ধ করে দিলে শ্রমিকদের ঠেকিয়ে রাখা যাবে না। গত বছরের মত এবারও তারা গ্রামেগঞ্জে ছড়িয়ে পড়বে। এতে ভালোর চেয়ে খারাপই হবে।

এর আগে মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পর গত এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকেই সারাদেশে ধাপে ধাপে মেয়াদ বাড়িয়ে লকডাউনের বিধিনিষেধ চালু রাখা হয়েছে। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে কিছু নিয়ম শিথিলও করা হয়েছে। এর মধ্যে করোনাভাইরাসের অতিসংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় জুনের শুরু থেকে সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়তে বাড়তে উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।

এ অবস্থায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দেশে একটানা ১৪ দিন ‘সম্পূর্ণ শাটডাউন’ ঘোষণার সুপারিশ করেছে কোভিড ১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটি। এই সময়ে জরুরি সেবা ছাড়া যানবাহন, অফিস-আদালতসহ সবকিছু বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সেখানে। সরকার ওই সুপারিশ সক্রিয়ভাবে বিবেচনায় নেবে জানিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গতকাল বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘সংক্রমণ কমানোর জন্য পরিস্থিতি বিবেচনা করে যেটা প্রয়োজন সেটাই করা হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Macrosys