1. ph.jayed@gmail.com : akothadesk42 :
  2. admin@amaderkatha24.com : kamader42 :
রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন

যে আমল করলে অভাব দূর হয়ে যায়

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১

রাব্বুল আলামীন দুনিয়ার ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখার জন্য বিভিন্ন ধরনের মানুষ সৃষ্টি করেছেন। কাউকে গরিব বানিয়েছেন, কাউকে ধনী বানিয়েছেন।

তুলনামূলক গরিবরা বেশি অর্থাভাবে পড়েন। আমাদের পাড়া-প্রতিবেশীদের মধ্যে এমন বহু অভাবী মানুষ রয়েছেন, যারা দীর্ঘদিন ধরে কঠিন রোগে ভুগছেন। অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না, ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও ছেলেটাকে পড়ালেখা করাতে পারছেন না এবং মেয়েকে বিয়ে দিতে পারছেন না।

এমন অভাবী মানুষের অভাব নেই। সেই অভাবী মানুষের অভাব দূর করার জন্য কুরআন-হাদিসে বহু আমলের উল্লেখ রয়েছে।

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— যে ব্যক্তি বেশি বেশি এই দোয়াটি পাঠ করবে তার অভাব দূর হয়ে যাবে।

দোয়া- আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল ফাকরি, ওয়াল কিল্লাতি, ওয়াজজিল্লাতি, ওয়া আউজুবিকা মিন আন আজলিমা আও উজলিমা।

অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দরিদ্রতা থেকে। এবং আপনার কম দয়া থেকে ও অসম্মানী থেকে। এবং আমি আপনার কাছে আরও আশ্রয় চাচ্ছি— কাউকে জুলুম করা থেকে অথবা কারও দ্বারা অত্যাচারিত হওয়া থেকে। (সহিহ বুখারি, হাদিস নং: ১৫৪৪)

ইস্তেগফার পড়া

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন— ‘যে ব্যক্তি নিয়মিত ইসতেগফার করবে (আস্তাগফিরুল্লাহা রাব্বি মিন কুল্লি জাম্বিউ ওয়াতুবু ইলাইহি) আল্লাহতায়ালা তার সব সংকট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেবেন, সব দুশ্চিন্তা মিটিয়ে দেবেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে তার রিজিকের সংস্থান করে দেবেন। (আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহ )

আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা
আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা, তাদের সঙ্গে ভালো আচরণ করা৷ মাঝেমধ্যে সাক্ষাৎ করে আসা। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আমি প্রিয় নবীকে (সা.) বলতে শুনেছি— যে ব্যক্তি তার জীবিকা প্রশস্ত করতে চায় এবং বাড়াতে চায়, তার আয়ু সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে। (বুখারি, হাদিস ৫৯৮৫)

নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা

রাব্বুল আলামিন বান্দার প্রতি তখনই সবচেয়ে বেশি অসন্তুষ্ট হন, যখন কিনা বান্দা সব কিছু পাওয়ার পরও রবের অকৃতজ্ঞতা করে। তবে বান্দা যখন শুকরিয়া আদায় করেন, রাব্বুল আলামিন তার প্রতি খুশি হয়ে যান।

তার বালা-মুসিবত অভাব-অনটন দূর করে দেন এবং শুকরিয়ার ফলে নেয়ামত বৃদ্ধি পায়। আল্লাহতায়ালার ঘোষণা— যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করো, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের বাড়িয়ে দেব, আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও, নিশ্চয়ই আমার আজাব বড় কঠিন। (সুরা ইবরাহিম: ৭)

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Ka Kha IT