1. ph.jayed@gmail.com : akothadesk42 :
  2. admin@amaderkatha24.com : kamader42 :
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৮:৫১ অপরাহ্ন

তরুনদের সাড়া জাগানো বই গোলাম রাব্বীর ‘কী যে করি’

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১

বিজয় দে: অমর একুশে বই মেলায় প্রকাশিত হলো বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা ও দেশ সেরা সংবাদ উপস্থাপক ও ড্রিম ডিভাইজার ফাউন্ডার গোলাম রাব্বী র লেখা ‌’কী যে করি’ বইটি। বইটি প্রকাশ করেছে আদর্শ পাবলিকেশন। রকমারিতে ও বইটি পাওয়া যাচ্ছে প্রি অর্ডারে। গোলাম রাব্বী স্বপ্ন দেখতে, দেখাতে ও পূরণ করাতে ভালোবাসেন অনেক আগে থেকে।এবং ড্রিম ডিভাইজারের মাধ্যমে এক ঝাক তরুন নিয়ে কাজ কোরছেন বর্তমান এবং তাদের সবার স্বপ্ন পূরণে পাশে থাকছেন।বইটি একুশে বই মেলায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল এবং প্রথমদিন লেখক গোলাম রাব্বী মেলায় প্রবেশ করার পর র আটোগ্রাফ দিতে হিমশিম খেয়ে যায়এক পর্যায়ে বইয়ের স্টক শেষ হয়ে যা য় সন্ধার আগে। পরে আবার ও বই আসলে আবার কেনা শুরু করে পাঠকরা।

 

বইয়ের প্রথমে লিখেছেন লেখক,
যখনই মনে হবে,”কী যে করি”বা আমি তো কিছুুই না..! আমরা কী করব..! কীভাবে শুরু করব বুঝতেছি না..!আমরা আমার এখন কী করার আছে ‘বা যদি মনে হয়। তোমার সময় বুঝি শেস।মুলত এসব ভুল ধারনা কাটানোর জন্য এই বইটি লেখা।
বর্তমান সমাজের মানুষের ভাবতে ভাবতে সময় চলে যায় কিন্তু কোন কাজ হয় না। না ভেবে যে কোন একটা কাজ করলেই হয়ে যায়। সময় কাটে কাজ ও হয় কাজের মাধ্যমে আনন্দ ও পাওয়া যায়।

আমি জদি না ভেবে একটা কাজ করি তাহলে আমি এক সময়ে ভালো ফল পাব এবং ভালো যায়গা জাব। বর্তমান সমাজে কাজের অফাব নেয় জদি না ভেবে চেষ্টা করা হয়। আছে ফুড ডেলিভারি,শো রুমে চাকরি, পাঠাওউবার ,উদ্যোক্তা হওয়া,পার্সেল দেওয়া নেওয়া,বা না ভেবে ফেসবুকে চ্যাটিং করে সময় কাটানো,বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া।আরো অনেক কাজ আছে,অর্থাৎ না ভেবে একটা করলেই হয়।

”কী যে করি”বইটি নিয়ে
একজন পাঠক বলেন,,,আমি অনেক আগে থেকে তার সংবাদ পড়া পছন্দ করি তার সংবাদ পড়া দেখার জন্য অপেক্ষা করতাম। যখম সংবাদ পড়ত দেখে মনটা জুরে যেত। তারপর কিছুদিন আগে তার অফিসিয়াল পেজে দেখতে পাই তার বই আসছে একটি পোস্ট । দেখে তখন থেকেই ইচ্ছে বইটি আমি মেলায় তার অটোগ্রাফ সহ নিব অনেক ইচ্ছে, তারপর হটাৎ একদিন পোস্ট দেখি তার আইডিতে আজ বিকালে থাকছি বউ মেলায় তখন পোস্ট দেখে মনটা জুরে গেল। এবং তারাতারি মেলায় চলে আসি, এসে বইটি সংগ্রহ করি। তার কাছ থেকে এবল তিনি তখন আমাকে অনেক ভালো ভালো ধারনা দিয়েছেন স্বপ্ন পূরণের।

তরুণদের উদ্দেশ্য গোলাম রাব্বী বলেনঃ-
আর যাই করি। সবই করতে হবে ইতিবাচক ভাবে। দেশের জন্য দশের জন্য।

বইয়ের শেষ পাতায় লিখেছেনঃ-
স্বপ্ন আকি; স্বপ্ন বাঁচি
হাসি, আনন্দেঃমজায় থাকি!
পাঠক কেন বইটি পড়বে এ প্রশ্নে লেখক বলেন,,
‘বইটি পড়লে আমি মনে করি, তরুণরা স্বপ্নপূরণে অনেকখানি এগিয়ে যাবে। সবচেয়ে বড় যে বিষয়টা সেটি হচ্ছে, কতটুকু এগোবে বা এগোবে কিনা, তারচে বড় বিষয়, আমি মনে করি এ বইটাকে একটা বই বা কেবল ৩১টা অধ্যায়ে যদি আমরা মনে করি, সে জায়গাটা মনে না করে আমি যেটা বার বার বলতে চেয়েছি, এ বইটা কেবল একটা বই হবে না, এটা একটা প্রতিষ্ঠান বা প্লাটফর্মের মতো কাজ করবে। ধরি, আমি বইটা পড়লাম, একজন পাঠক হিসেবে, ওই বইটার লেখক যিনি হচ্ছেন, তাকে কল্পনা করলাম তিনি একজন মানুষ। ঠিক একইভাবে অন্য জেলার বা অন্য কিছু পারেন বা জানেন বা বুঝেন তার কাছে একটা সুযোগ আছে, তিনিও পড়েছেন। আমরা এই মানুষগুলোকে একসূত্রে গাঁথবো, আমরা এ বইটা নিয়ে সবার কাছে যাব, একটা পাঠক বন্ধু বা কী যে করি পাঠক আড্ডা করবো, যেখানে একে অপরকে স্বপ্ন পূরণে এবং কাজ বা হতাশা নিয়ে কাজ করবো৷’ বলছিলেন গোলাম রাব্বী।

তরুণদের নিয়ে স্বপ্ন ও তাদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ দিয়ে তরুণ এ স্বপ্নদ্রষ্টা বলছেন, তরুণদের নিয়ে সব সময় ইতিবাচক স্বপ্ন দেখি। আমি মনে করি, মানুষ যদি নিজেকে তরুণ রাখতে পারে, নিজেকে যদি সব সময় জাগ্রত রাখতে পারে, নতুন কিছু করার সাহস দেখতে পারে, চ্যালেঞ্জ নিতে পারে, তাহলে ওই মানুষটির দ্বারা যে কোন কিছু করা সম্ভব। তাদের উদ্দেশ্য যেমন কিছু বলার আছে, আমি মনে করি, তাদের কাছ থেকে কিছু শেখারও আছে। যেমন, তরুণ মানুষদেরকেই আমি সব সময় অনুসরণ করি, তাদের দেখে, তাদের সাহস দেখে আমি নিজেও শক্তি পাই। সুতরাং, তরুণ প্রাণরাই আসলে ভিন্নধর্মী হবে, নতুন কিছু করবে, নতুন কিছু বানাবে, নতুন কিছু করে নিজে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেবে, এটাই হচ্ছে আমার পক্ষ থেকে তরুণদের জন্য বলা।

কী করলে তরুণরা এগিয়ে যাবে? এমন প্রশ্নে তরুণ এ উপস্থাপক বলেন, হতাশ না হয়ে কোন কিছু করার জন্য লেগে থাকতে হবে। কারণ, যে মানুষগুলো কিছু করে, আমার মনে হয়, তাদের দ্বারা এমন কিছু হয়, যেটা পৃথিবীর বা বিশ্বের কেউ ভাবই নাই। যেমন, এক সময় আমাদের সোস্যাল এ নেটওয়ার্ক ছিল না। এটা না থাকার কারণে কিছু লোক কাজটা করেছে। যার মধ্যে জাকারবার্গ একজন। তিনি এমন একটা জিনিস আবিষ্কার করেছেন, আজকে দেখা যায়, তার দ্বারা সব কিছু ঘুর্নায়মান। সুতরাং তার আয়, তার অবস্থানটা কত উপরে। আমি মনে করি, কেউ কিছু করতে পারলো না, তাকে লেগে থাকতে হবে। দেখা যাবে, লেগে থাকলেই আরও বড় কিছু হবে। আমি তরুণদের মাঝে সব সময় আলো খুঁজে পাই, দিশা খুঁজে পাই, স্বপ্ন খুঁজে পাই। সুতরাং তরুণরা করাই লেগে থাকুক, এটির দাম এখন হোক বা না হোক, আমার মনে হয়, যদি করাই লেগে থাকে, বিশাল কিছু এক সময় হতে বাধ্য।

গোলাম রাব্বি আরো বলেন, আমরা সবসময় ভাবতে থাকি কী যে করি, কী করবো। কিন্তু আমার এটা ভাবি না চেষ্টা করলে আমরা অনেক কিছুই করতে পারি। আমরা চেষ্টা করলে ব্যাবসা করতে পারি, সেটা না পারলে চাকরি করতে পারি, চাকরির পাশাপাশি আরো অনেক কিছু করতে পারি। যদি কিছু নাও করতে পারি অন্তত একটু ঘুমাতে পারি। যা আমাদের মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে। কিন্তু আমরা সেটা না করে সারাক্ষণ কী যে করি সে চিন্তায় মগ্ন থাকি। যা আমাদের মানসিক চাপ বাড়িয়ে তোলে। যারা সারাক্ষণ ‘কী যে করি’ সে চিন্তায় থাকেন তাদের জন্য আমার এই বই।

এক নজরে গোলাম রাব্বী-
নাম গোলাম রাব্বী। স্বপ্ন দেখায় যার নেশা। কেবলই নিজেই যে স্বপ্ন দেখেন, তা কিন্তু নয় ;অন্যকে স্বপ্ন দেখানো তার আরও বড় নেশা। সবাইকে স্বপ্নপূরনে উদ্ভুদ্ধ করতে প্রতিষ্ঠা করেছেন, ড্রিম ডিভাইজার।যার স্লোগান, ‘স্বপ্ন দেখি,স্বপ্ন দেখাই;পূরণ করি,পূরন করাই। সর্বদা ভাবেন -একা নয় সবাই মিলে গড়া যায় বিশ্বমানের বড় কিছু।

গোলাম রাব্বীর বেড়ে ওঠা মাদারীপুরের কালকিনির এক অজোপাড়া গাঁয়ে।গ্রামের সবুজ প্রান্তর আর নীল আকাশ তাকে বানিয়েছে বিশাল রিদয়ের। নিতে নয় সব সময় তিনি দিতে পছন্দ করেন। মাধ্যমিকে প্রথমবারের মতো গোল্ডেন জিপিএ ফাইভ প্রাপ্তি তাকে দিয়েছিলো- এগিয়ে চলার পাথেয়। জাতীয় টেলিভিশন বিটিভির ‘কুইজ কুইজ’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে হয়েছেন দেশসেরা। রচনা প্রতিযোগিতা, সাধারণ জ্ঞান, উপস্থিত বক্তৃতা ও বিতর্কে পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার। বিশ্ব টেলিকমিউনিকেশন্স দিবসে রাষ্ট্রপতি পদক যার মধ্যে অন্যতম। জেলা শহরের পত্রিকা দিয়ে লেখার রাজ্যে প্রবেশ। কিশোর বয়সে, গ্রাম থেকেই অংশ নিতেন রেডিও ও পত্রিকার নানা আয়োজনে। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে পড়াকালিন মিডিয়ায় প্রথমে যুক্ত হন ফিচার রাইটার হিসেবে। ক্যারিয়ার ও ইতিবাচক বিষয়ের ফিচার লেখক হিসেবে কাজ করেছেন প্রথম আলো, যুগান্তর, ইত্তেফাক ও জাগো নিউজসহ প্রথম সারির কয়েকটি হাউজে। এর মাঝে হঠাৎই পথ চলা শুরু বেসরকারি এফএম রেডিওর আরজে হিসেবে। জনপ্রিয় টেলিভিশন সময় সংবাদের শুরু থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত প্রায় এক যুগ ধরে যুক্ত আছেন সংবাদ উপস্থাপক হিসেবে। অনুষ্ঠান উপস্থাপক হিসেবে যুক্ত আছেন বাংলাদেশ টেলিভিশনে বিটিভিতেও। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা।

সৃজনশীল কাজ, আইডিয়া ডেভেলপমেন্ট, ইনোভেশন, প্রযুক্তি ভাবনা ও নতুন কিছু করাই তার নেশা-পেশা। লাল-সবুজের পতাকা নিয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন সার্কভুক্ত দেশসহ বিশ্বের ৯টি দেশে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Ka Kha IT