1. ph.jayed@gmail.com : akothadesk42 :
  2. admin@amaderkatha24.com : kamader42 :
মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন

টিসিবির পণ্য যাচ্ছে কই!

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২০

নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ন্যায্যমূল্যের পণ্য। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা।

সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, প্রতি বছর রমজানে টিসিবির পণ্যের যে চাহিদা থাকে এবার করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে চাহিদা বেড়েছে কয়েকগুণ বেশি। সারাদেশে টানা প্রায় এক মাস ছুটি থাকায় শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। এছাড়া সরবরাহ সংকটে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম এখন বাড়তি। ফলে টিসিবির ন্যায্যমূল্যের পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু সে তুলনায় জোগান বাড়েনি। এতে ক্রেতারা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও পণ্য কিনতে না পেরে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর রামপুরা বাজার, ধলপুর কমিউনিটি সেন্টার, মিরপুর-১৪ কচুক্ষেত, আশকোনা হাজী ক্যাম্পসহ বিভিন্ন স্পটে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, টিসিবির পণ্য কিনতে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন। অনেকে কয়েক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার পর তাদের জানানো হয়, ট্রাকের সব মাল শেষ হয়ে গেছে। এতে ক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। রামপুরা বাজার স্পটে পণ্য কিনতে আসা ক্রেতা মাসুদুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়েও পণ্য পাওয়া যায় না। পরে জানানো হয়, মাল শেষ হয়ে গেছে। তা হলে তারা কেন আগেই জানিয়ে দেয় না কতজনকে মাল দিতে পারবে। আবার কাউকে কাউকে লাইন ভেঙে মাল দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। একই অভিযোগ জানিয়ে মিরপুর-১৪ কচুক্ষেত স্পটের টিসিবির পণ্য কিনতে আসা ক্রেতা জেসমিন আক্তার বলেন, তিনি গার্মেন্টসে চাকরি করেন। এখন গার্মেন্টস বন্ধ থাকায় হাতে তেমন টাকা-পয়সা নেই। খুব বিপদে আছেন। টিসিবির পণ্য কিনতে পারলে উপকার হবে। কিন্তু লাইনে দাঁড়িয়েও টিসিবির পণ্য পাওয়া যায় না।

এ প্রসঙ্গে মিরপুর-১৪ কচুক্ষেত স্পটের ডিলার ফুয়াদ এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধিকারী ফরিদ আহমেদ ইত্তেফাককে বলেন, প্রতিদিনই চাপ বাড়ছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত সব শ্রেণির মানুষ এখন টিসিবির পণ্য কিনতে ভিড় করছে। তিনি বলেন, প্রতিদিন যে পরিমাণ পণ্য এক জন ডিলারকে দেওয়া হয়, তা চাহিদার তুলনায় কম। এজন্য আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ট্রাকে পণ্যের পরিমাণ না বাড়িয়ে প্রতিটি স্পটে ট্রাকের সংখ্যা যদি অন্তত আরো একটি করে বাড়ানো যায়, তা হলে চাপ একটু কমত।

তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, টিসিবি যে পণ্য দিচ্ছে তার মান ভালো। সেই সঙ্গে বাজারের তুলনায় দামও বেশ কম। এতে এক শ্রেণির অসৎ ডিলাররা মাল সরিয়ে ফেলছে। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন জায়গায় কতিপয় ডিলারদের গুদামে ও বাড়িতে টিসিবির পণ্যের অবৈধ মজুত ধরা পড়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Ka Kha IT