বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বানানী উইমেন্স ক্লাবের মধ্যাহ্নভোজ ও পরিচিতি অনুষ্ঠান দালালের সাহায্যে নয়, বৈধ পথে ইতালি যাওয়ার সুযোগ ১০ হাজার বাংলাদেশির বদলে যাওয়া হিমালয়: নেপালে আকস্মিক বন্যার শিক্ষা পরীমনির গাড়ি বিতর্ক: এক মাসরুরকে বাঁচাতে আরেক মাসরুরের নাম টিকা দেওয়ার পরও কেন হামের সংক্রমণ? প্যারিসে ‘ঢাকা ক্লাব ফ্রান্স’-এর যাত্রা ফ্রান্সে ‘ফ্রাঙ্কো বাংলা সামার ফেস্টে’ গাইবেন জেমস, রাহুল আনন্দসহ জনপ্রিয় শিল্পীরা ফ্রান্সে ‘শাহ্ গ্রুপ ও অফিওরা’-এর যৌথ আয়োজনে ২ আগস্ট মঞ্চ মাতাবেন ‘জেমস’ নীরব মহামারী হেপাটাইটিস কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে SAF-এর সম্পূর্ণ বিনামূল্যের সুশি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের শুভ সূচনা

গণমাধ্যমের সাথে কথা বললেন সিফাত-শিপ্রা

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২০

নিউজ ডেস্ক: জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তাদের নিয়ে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূরিকরণে গণমাধ্যমের সাথে কথা বললেন কক্সবাজারে নিহত সাবেক মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদের দুই সহকারী শাহেদুল ইসলাম সিফাত ও শিপ্রা দেবনাথ।

সোমবার রাতে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে হঠাৎ এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন তারা।

সুস্থ ও নিরাপদে আছেন জানিয়ে সিফাত বলেন, কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে বের হওয়ার পর আমাকে একটি নম্বরবিহীন গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে যেই গুঞ্জনটি গণমাধ্যমে ছড়িয়েছে সেটি ঠিক নয়। ওই গাড়িটি আমাদের পারিবারিক গাড়ি ছিল।

সিফাত সাংবাদিকদের বলেন, ‘অনেক গণমাধ্যমে আমার পায়ে গুলি লেগেছে বলে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এটা সঠিক নয়। মানসিকভাবে ও শারীরিকভাবে আমি সম্পূর্ণ সুস্থ আছি। আমার পায়ে গুলি লাগেনি। আশা করি সুষ্ঠু তদন্ত হবে। আমরা রাষ্ট্রের কাছে কৃতজ্ঞ।’

তিনি আরো বলেন, ‘এতদিন জেলে ছিলাম তাই কিছুই জানতে পারিনি। এখন জেল থেকে বের হয়ে দেখছি প্রায় সব মিডিয়া আমাদের জন্য লিখেছে।’

শিপ্রা বলেন, ‘প্লিজ, প্রে ফর আস। সিফাত ও আমি আপনাদের প্রতি অনেক কৃতজ্ঞ। আপনারা আমাদের পাশে ছিলেন, পাশে থাকবেন। আপাতত এতটুকুই বলার আছে। আমরা প্রত্যেকটা কথা বলবো।’

শিপ্রা ও সিফাত তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে রয়েছেন। সোমবার দুপুরে সিফাত এবং মঙ্গলবার শিপ্রা কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

৩১ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে টেকনাফ থেকে কক্সবাজার আসার পথে টেকনাফের শামলাপুর চেকপোস্টে তল্লাশির নামে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদকে গুলি করে হত্যা করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী সিফাতকে আটক করে তার বিরুদ্ধে দু’টি মামলা করে তাকে জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ। আর শিপ্রাকে হিমছড়ির নীলিমা রিসোর্ট থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Macrosys