শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্যারিসে ‘ঢাকা ক্লাব ফ্রান্স’-এর যাত্রা ফ্রান্সে ‘ফ্রাঙ্কো বাংলা সামার ফেস্টে’ গাইবেন জেমস, রাহুল আনন্দসহ জনপ্রিয় শিল্পীরা ফ্রান্সে ‘শাহ্ গ্রুপ ও অফিওরা’-এর যৌথ আয়োজনে ২ আগস্ট মঞ্চ মাতাবেন ‘জেমস’ নীরব মহামারী হেপাটাইটিস কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে SAF-এর সম্পূর্ণ বিনামূল্যের সুশি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের শুভ সূচনা ফ্রান্সসহ ইউরোপীয় দেশসমূহে দাবদাহ: কারণ, প্রভাব ও করণীয় ফ্রান্সে সংবর্ধিত হলেন যুক্তরাজ্য বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য তপন সাংবাদিকতায় কৃতিত্বের পুরস্কার পেলেন জুনেদ ফারহান এমপি মমতাজ আলোকে অভিনন্দন জানালো ‘মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রবাসী এসোসিয়েশন’ বেদে সম্প্রদায় নিয়ে প্যারিসে তথ্য-চলচ্চিত্র “ভাসমান জীবন” প্রদর্শনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন

ইউরোপে ঘড়ির কাঁটা পেছাল এক ঘণ্টা

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০

নিউজ ডেস্ক: ঘড়ির কাঁটা আবার এক ঘণ্টা পিছিয়ে দিয়েছে ইউরোপের সব দেশ। শীতে দিনের আলো সংরক্ষণের জন্য সময় এক ঘণ্টা পিছিয়ে গ্রীষ্মে আবার এক ঘণ্টা এগিয়ে দেয়ার রীতি এ বছরই হয়তো শেষ হবে। খবর ডয়চে ভেলের

গত শনিবার ভোর তিনটায় ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেয়ায় এক ঘণ্টা বেশি ঘুমাতে পেরেছে ইউরোপের মানুষ। ১৯৮০ সালে বিশ্বব্যাপী তেলসংকট শুরু হলে দিনের আলো বেশি উপভোগ করে জ্বালানি খরচ কমানোর এই রীতি অনুসরণ শুরু হয়। শুরুটা জার্মানিতে হলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সব দেশই এই রীতি মানতে শুরু করে।

তবে অক্টোবরে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে এবং মার্চে আবার আগের জায়গায় ফিরিয়ে আদৌ জ্বালানি বাঁচানো সম্ভব হচ্ছে কিনা এই প্রশ্নও উঠেছিলো। সমালোচকরা বলছিলেন এর মাধ্যমে বরং মানুষের জীবনের ছন্দপতন হয় এবং এর বিরূপ প্রভাব পড়ে কারো কারো শরীরে।

এই রীতির ভবিষ্যৎ স্থির করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভোটাভুটি হয় ২০১৮ সালে। ইইউ সদস্যরা বিপুল ভোটে রীতি বন্ধের পক্ষে রায় দেন। তারপর ২০১৯ সালে ২০২১ থেকে এই রীতি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় ইউরোপীয় পার্লামেন্ট।

ফলে কোন দেশ এই রীতি মানবে, কোন দেশ বাদ দেবে এই সিদ্ধান্ত এখন সংশ্লিষ্ট দেশের হাতে। তাই সময়ই বলবে কোন দেশে ঘড়ির কাঁটা পিছানো-এগোনোর এ রীতি থাকবে আর কোন দেশে থাকবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Macrosys