1. ph.jayed@gmail.com : akothadesk42 :
  2. admin@amaderkatha24.com : kamader42 :
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্রান্সে সংবর্ধিত হলেন যুক্তরাজ্য বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য তপন সাংবাদিকতায় কৃতিত্বের পুরস্কার পেলেন জুনেদ ফারহান এমপি মমতাজ আলোকে অভিনন্দন জানালো ‘মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রবাসী এসোসিয়েশন’ বেদে সম্প্রদায় নিয়ে প্যারিসে তথ্য-চলচ্চিত্র “ভাসমান জীবন” প্রদর্শনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন ‘স্মৃতিতে স্মরণে প্রিয় জন্মভূমি’ শিরোনামে প্যারিসে আন্তর্জাতিক কবিতা সন্ধ্যা রাজপথের সাহসী মুখ মমতাজ আলো সংগ্রামী থেকে সফল ব্যবসায়ী মিয়া মাসুদের গল্প ফাতেমা খাতুনের অর্থায়নে ‘আমাদের কথা’র উদ্যোগে ঈদ উপহার বণ্টন ফ্রান্সে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাহিদুলের প্যানেল জয়ী মিয়া মাসুদ: একজন সফল ব্যবসায়ীর পথচলার গল্প

স্বামীর বর্বরতাকেও ছাড়িয়ে গেছেন খালেদা জিয়া : জয়

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : সোমবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২১

নিউজ ডেস্ক:বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তার স্বামীর বর্বরতাকেও ছাড়িয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। গতকাল রোববার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওই স্ট্যাটাসে সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, ‌‘বঙ্গবন্ধু ও চার নেতার খুনিকে জেল থেকে মুক্ত করে রাষ্ট্রদূত বানায় খালেদা জিয়া। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার খুনিদের বিচার না করে নিরাপদে বিদেশে চাকরি করার সুযোগ দিয়েছিল জিয়াউর রহমান। কিন্তু তার স্ত্রী খালেদা জিয়া ছাড়িয়ে গেছেন স্বামীর বর্বরতাকেও। ’

তিনি লিখেছেন, ‌‘১৯৯৬ সালে বিচার বাস্তবায়নের জন্য জেলে ঢুকানো হয় খুনি খায়রুজ্জামানকে। কিন্তু বিচার চলমান অবস্থায় ২০০১ সালে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তার সরাসরি নির্দেশে এই খুনিকে জেল থেকে মুক্তি এবং প্রমোশন দিয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ করা হয়। ’

সজীব ওয়াজেদ জয় আরও লিখেছেন, ‘খুনি খায়রুজ্জামানের প্রতি বিশেষ আশীর্বাদ ছিল বিএনপি-জামায়াত জোটের। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা ও কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যার পর ১৯৭৫ সালে মিসরে পোস্টিং দেওয়া হয় তাকে। এরপর জিয়াউর রহমানের আশীর্বাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চাকরিতে ক্রমাগত প্রমোশন হয় তার। এমনকি মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার পর্যন্ত বানানো হয় তাকে।

‘১৯৯১ সালে খালেদা জিয়ার সময় দেশজুড়ে দাপিয়ে বেড়িয়েছে এই খুনি খায়রুজ্জামান। তার দাপটে সবসময় আতঙ্কে থাকতো প্রশাসনের কর্মকর্তারা। খালেদার বিশেষ ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ফিলিপাইনের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ছিলেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Macrosys