1. ph.jayed@gmail.com : akothadesk42 :
  2. admin@amaderkatha24.com : kamader42 :
সাদাতের সফলতার পেছনে মাশরাফির অবদান - আমাদের কথা
সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন

সাদাতের সফলতার পেছনে মাশরাফির অবদান

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০

নিউজ ডেস্ক: শিশুদের সাইবার হয়রানি থেকে সুরক্ষা দিতে মোবাইল অ্যাপ তৈরি করে ‘শিশুদের নোবেল’ খ্যাত আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশ সাদাত রহমান। শুক্রবার নেদারল্যান্ডসে পুরস্কারের নাম ঘোষণা করেছে আয়োজকরা। সেখানে বাংলাদেশের নড়াইলের এই কিশোর ৪২ দেশের ১৪২ জন প্রতিযোগীর মধ্যে এই পুরস্কার জিতলেন।

সাদাতের এই সফলতায় পরিবারের পাশাপাশি অবদান আছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার। সাদাত জানান, ‘এই সাফল্যের পেছনে আমার পরিবার, আমাদের মাশরাফি ভাই, তার সহধর্মিনী সুমি আপু, নড়াইলের ডিসি আনজুমান আরা, পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন স্যারের অনেক অবদান আছে। মাশরাফি ভাই সব সময় আমাকে উৎসাহ দিয়ে এসেছেন’।

সাদাতের এই অসাধারণ অর্জনে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে মাশরাফি বিন মর্তুজাও। অভিনন্দন জানিয়ে মাশরাফি তার ফেসবুকে দেয়া স্ট্যাটাসে লিখেন, শিশুদের অধিকারের প্রচার এবং দুর্বল শিশুদের সুরক্ষায় জড়িত একটি শিশুকে প্রতি বছর ‘কিডস রাইটস ইন্টারন্যাশনাল চিলড্রেনস পিস প্রাইজ’ দেয়া হয়। সাদাত ‘সাইবার টিন্স’ নামে একটি অ্যাপ্লিকেশন চালু করেছিলেন, যেখানে সাইবার বুলিংয়ের শিকার ব্যক্তিরা তাদের মামলার রিপোর্ট করতে এবং সহায়তা পেতে পারেন। তার কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর নড়াইলের ১৭ বছর বয়সী সাদাত রহমানকে বিজয়ী করা হয়েছে। সাদাতের এ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নড়াইলের প্রতিটি মানুষের জন্য গর্বের এবং আনন্দের।

শুক্রবার সাদাতের হাতে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে পুরস্কার তুলে দেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী মালালা ইউসুফ জাই। অনুষ্ঠানে পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে সাদাত রহমান বলেন, এটা আমার জন্য, বাংলাদেশের জন্য একটা সম্মান। আমি সত্যিই অভিভূত। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যভহার বেড়েছে। ইন্টারনেট ব্যবহারের অন্যতম একটা অংশ দেশের কিশোর-কিশোরীরা। কিন্তু তাদের নিরাপত্তা নিয়ে তেমন কোনো পদক্ষেপ নেই। আমরা একট দল সাইবার বুলিং মোকাবিলায় ‘সাইবার টিনস’ নামে অ্যাপটি তৈরি করি। সবার প্রচেষ্টায় আমরা এমন একটি কাজ করতে পেরেছি। এজন্য সবার কাছে কৃতজ্ঞতা। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ায় এই কাজ আমাদের সহজ করেছে।

বক্তব্য শেষে তার অনুভূতি জানতে চান অনুষ্ঠানের উপস্থাপক। এসময় তিনি সাদাতকে মালালা ইউসুফজাইয়ের মতো একজন যোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করেন।

সাদাত রহমান নড়াইল আবদুল হাই সিটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। ২০১৫ সালে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়ে এক কিশোরী আত্মহত্যার পর তিনি ‘নড়াইল ভলেন্টিয়ারস’ নামে একটি সংগঠন তৈরি করেন। এরপর দেশে অনুষ্ঠিত কয়েকটি প্রতিয়োগিতায় জিতে একটা ফান্ড তৈরি করেন তিনি। পরে সেই ফান্ড থেকেই ‘সাইবার টিনস’ নামে অ্যাপটি তৈরি করেন।

অ্যাপটি দিয়ে কিশোর–কিশোরীরা জানতে পারে কীভাবে ইন্টারনেট দুনিয়ায় সুরক্ষিত থাকতে পারে। প্রায় ১ হাজার ৮০০ কিশোর–কিশোরী এই অ্যাপ ব্যবহার করছে। এই অ্যাপের মাধ্যেম ৬০টির বেশি অভিযোগের মীমাংসা হয়েছে এবং ৮ জন সাইবার অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Ka Kha IT