1. ph.jayed@gmail.com : akothadesk42 :
  2. admin@amaderkatha24.com : kamader42 :
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন

প্রবাসী আয়ে ঢল, গেল মাসে রিজার্ভ রেকর্ড হয়েছে

আমাদের কথা ডেস্ক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১

নিউজ ডেস্ক: বিদায়ী এপ্রিলে প্রবাসীরা সব মিলিয়ে ২০৬ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন। মে মাসের প্রথম দুই দিনে আয় এসেছে ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ৪৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) ১৭৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার বিল বাকি রয়েছে, যা কাল মঙ্গলবার পরিশোধ করতে হবে। এর ফলে কালই রিজার্ভের পরিমাণ কমে আসবে।

ঈদের আগে প্রবাসীদের পাঠানো আয়ে বড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এর ওপর ভর করেই বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার মজুত প্রথমবারের মতো ৪৫ বিলিয়ন বা ৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলার অতিক্রম করেছে। সোমবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলার।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রার মজুত থাকতে হয়। এই রিজার্ভ দিয়ে প্রতি মাসে চার বিলিয়ন ডলার হিসেবে ১১ মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

জানা যায়, বিশ্বজুড়ে করোনার প্রকোপের মধ্যে দেশের বাইরে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা বেশি বেশি টাকা পাঠানো শুরু করেছেন। বিদায়ী এপ্রিলে প্রবাসীরা সব মিলিয়ে ২০৬ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ১৭ হাজার ৫১০ কোটি টাকা। গত বছরের এপ্রিলে দেশে এসেছিল ১০৯ কোটি ডলার। আর মে মাসের প্রথম দুই দিনে আয় এসেছে ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বেড়ে ৪৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তারা বলেন, মার্চ-এপ্রিলের এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) ১৭৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার বিল বাকি রয়েছে, যা কাল মঙ্গলবার পরিশোধ করতে হবে। এর ফলে কালই রিজার্ভের পরিমাণ কমে আসবে।

আকুর সদস্যদেশগুলোর মধ্যে আমদানি-রপ্তানির অর্থ পরিশোধ হয়ে থাকে আকুর মাধ্যমে। ৯টি দেশের মধ্যকার আমদানি-রপ্তানিতে কোনো দেনা-পাওনা থাকলে তা দুই মাস পর এসব দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক মিটিয়ে থাকে। বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ—এই ৯টি দেশ বর্তমানে আকুর সদস্য।

এই রিজার্ভ দিয়ে প্রতি মাসে চার বিলিয়ন ডলার হিসেবে ১১ মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।
২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকার ২ শতাংশ প্রণোদনা ঘোষণা করার পর থেকেই বৈধ পথে প্রবাসী আয়ে গতি আসতে থাকে। অবৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো কমে যায়। করোনার মধ্যে প্রবাসী আয়ে বড় ধরনের ধাক্কা লাগার আশঙ্কা করা হলেও তেমন প্রভাব পড়েনি।

এখন সরকারের ২ শতাংশের সঙ্গে অগ্রণী, রূপালী, ইসলামী ব্যাংকসহ আরও বেশ কয়েকটি ব্যাংক বাড়তি ১ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে। আবার মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) বিকাশের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকার বেশি এলেও সরকারি ২ শতাংশের সঙ্গে অতিরিক্ত ১ শতাংশ প্রণোদনা মিলছে। সব মিলিয়ে বৈধ পথে প্রবাসী আয় আসা বেড়েছে। তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

নিউজটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরো খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Maintained By Ka Kha IT